আকাশ ছুঁতে চাই ৯০
তিপ্পান্ন বছর ধরে সীমান্ত রক্ষা করছেন সাহসী নারী নাইমা
তিপ্পান্ন বছর ধরে চীন-মঙ্গোলিয়ার সীমান্তে পাহারা দিচ্ছেন চীনের সাহসী নারী নাইমা। চীনের জাতীয় দিবস উপলক্ষে তিনি জাতীয় এথনিক ঐক্য ও উন্নয়নের মডেল হিসেবে সম্মাননা পেয়েছেন। শুনবো তার গল্প।
চীন মঙ্গোলিয়ার সীমান্ত থেকে মাত্র ১১ কিলোমিটার দূরে একটি গ্রামে বাস করেন উত্তর চীনের ইনার মঙ্গোলিয়া স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের মঙ্গোল জাতির নারী নাইমা।
এখন তার বয়স ৭৯ বছর। ২৫ বছর বয়সে ১৯৭১ সালে তিনি আলশা লিগ এলাকায় সীমান্ত রক্ষী হিসেবে কাজ শুরু করেন। সীমান্ত পাহারা দেয়ার কাছে ১ লাখ ৮০ হাজার কিলোমিটার পথ হেঁটেছেন। অবৈধ ভাবে সীমান্ত পাড়ি দেয়ার একহাজারটি ঘটনা প্রতিরোধ করেছেন। তাকে বলা হয় জীবন্ত সীমান্ত শিলা।
পারিবারিক ধারা বজায় রেখে নাইমার ছেলেও সীমান্ত রক্ষার কাজ করেছেন। এখন নাইমার বিশ্ববিদ্যালয় পাশ নাতিও এই কাজে যোগ দিয়েছেন।
দেশপ্রেমের অটল দৃষ্টান্ত স্থাপন এবং জাতিগত ঐক্যের প্রতীক হিসেবে নাইমাকে রোল মডেল হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মাননা জানানো হয়েছে।
নাইমা জানান, তিনি তার দৈনন্দিন পশুপাল চড়ানোর কাজও করেন। পাশাপাশি সীমান্তেও নজর রাখেন।
কঠোর প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করে এই দায়িত্ব পালন করছেন নাইমা। তিনি বলেন, চীনের কমিউনিস্ট পার্টির একজন সদস্য হিসেবে মাতৃভূমিকে রক্ষা করা আমার কর্তব্য। একজন পার্টি সদস্য হিসেবে যে প্রতিজ্ঞা করেছি তা পালন করাই আমার জীবনের উদ্দেশ্য।
প্রতিবেদন শান্তা মারিয়া
কুনমিং নগর কবিতা শিল্প উৎসবে ভিয়েতনামী নারী
চীনের ইয়ুননান প্রদেশের রাজধানী কুনমিংয়ে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয় তৃতীয় কুনমিং নগর কবিতা শিল্প উৎসব। চীন, বাংলাদেশ, ভারত, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার কবি, লেখকরা এতে অংশ নেন। পুরো অনুষ্ঠানটি কবি, শিল্পী, লেখকদের এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। অনুষ্ঠানে অংশ নেন ভিয়েতনামের নারী লেখক ও অনুবাদক নগুয়েন লেচি। শুনবো এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন।
শরতের সুন্দর সকাল। কিছুটা মেঘলা আকাশ। চীনের ইয়ুননান প্রদেশের রাজধানী কুনমিংয়ের ট্রি’স শ্যাডো আর্ট সেন্টার। এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছে কবি, লেখক, শিল্পী সাহিত্যিকদের এক মিলনমেলা। তৃতীয় কুনমিং নগর কবিতা শিল্প উৎসবের আসর বসেছিল এখানে। চীন, বাংলাদেশ, ভারত, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার কবি, লেখক, অনুবাদক ও প্রকাশকরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে চীনের কবি এবং বিদেশি কবিরা কবিতা পাঠ করেন।