আকাশ ছুঁতে চাই ৯০
তিনি মনে করেন ‘বীর শহীদদের প্রতিনিধি হিসেবে’ তিনি এই সম্মাননা গ্রহণ করছেন। ‘সাদা চুলের মেয়ে’, কমিউনিস্ট পার্টির কন্যাসহ ২০টির বেশি দেশপ্রেমমূলক চলচ্চিত্রে অনবদ্য অভিনয় করেছেন তিনি। থিয়ান হুয়া মনে করেন, সেনাবাহিনীর এইথ রুট আর্মিতে যোগদান তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
১৯৪০ সারে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় থিয়ান ছিলেন ১২ বছরের কিশোরী। সে সময় পাশের গ্রামে তিনি একটি নাটক দেখে মুগ্ধ হন। অভিনয় করার ইচ্ছা জাগে। পরদিন তিনি পার্পেল রঙের একটি নতুন জামা পরে শানসি-ছাহার-হেবেই মিলিটারি রিজিয়ন ড্রামা ক্লাবে যোগ দেন। মঞ্চে তার নাম দেয়া হয় থিয়ান হুয়া। এই নামেই সারা দেশে তিনি সুপরিচিত হয়ে ওঠেন।
যুদ্ধের নির্মমতা তাকে এক সরল বালিকা থেকে সংগ্রামী নারী করে তোলে। তিনি সেনাবাহিনীর নাট্যদলে কাজ করতে থাকেন। তিনি যুদ্ধরত সৈনিকদের জন্য নাটকে অভিনয় করতেন, গান গাইতেন তাদের দেশপ্রেমে অনুপ্রেরণা দিতেন। পাশাপাশি তিনি নিজের উচ্চারণ পরিমার্জন করেন, গানের অনুশীলন ও অভিনয় চর্চার মাধ্যমে নিজেকে আরও দক্ষ অভিনেত্রী হিসেবে গড়ে তোলেন।
পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের ফলে তিনি সেনাবাহিনীতে দ্রুত উন্নতি করেন। তিনি একজন সাধারণ গ্রামের মেয়ে থেকে লড়াকু সৈনিক হয়ে ওঠেন এবং গণমুক্তি সংগ্রামে যোগ দেন।