আকাশ ছুঁতে চাই ৩৫
কিন্তু সকলে শিল্পী হয়ে ওঠেন না। বা শিল্পে নৈপুণ্য অর্জনব করতে পারেন না। যেটা পেরেছেন গুলবানুর। ছোটবেলা থেকেই তাজিক লোকনৃত্য শিখছেন গুলবানুর। এখনও প্রতিদিন অনুশীলন করেন তিনি।
গুলবানুর কুরকাক তাজিক জাতির নারী। শিল্পী দলের সঙ্গে ঘুরে বেড়ালেও ঘরসংসারও যে করেন না তা নয়। যত্নের সঙ্গে প্রতিপালন করেন সন্তানদের।
মেয়েকে কিন্ডারগার্টেন স্কুল থেকে নিয়ে আসেন। ছেলেকে পড়া শোনায় সাহায্য করেন। তাজিক জাতির ঐতহ্যবাহী মেহমানদারিতেও পিছিয়ে নেই তিনি। গুলবানুর নিজের বাড়িতে অতিথি আপ্যায়নে রান্না থেকে শুরু করে ঘর গোছানো সহ সব কাজই করেন। এসব কাজে তাকে সাহায্য করেন স্বামী বাহতিয়ার জুমাহান। গুলবানুরের শাশুড়িও বাড়ির অনেক কাজ করে তাকে যথেষ্ট সাহায্য করেন।