বাংলা

আকাশ ছুঁতে চাই ৮৯

CMGPublished: 2024-09-26 19:56:06
Share
Share this with Close
Messenger Pinterest LinkedIn

যাদের বাবা মা অধিক আয়ের জন্য অন্য প্রদেশে কাজ করেন তাদের বেশিরভাগ সন্তানই পড়ে এই স্কুলে। আর এই শিশুদের কবিতার মাধ্যমে চীনা ভাষা শেখান লি। নিজেরদের আবেগ অনুভূতির প্রকাশ করতে পারে এই কবিতার মাধ্যমে। কবিতার শক্তিতে আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠে তারা। ধীরে ধীরে নিজেদের জীবনেও পরিবর্তন আনতে শুরু করে শিশুরা।

শুরুতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষাদানের বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ নেন লি। বড় শিক্ষা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কাজ করার সুযোগ থাকলেও ফিরে আসেন গ্রামের স্কুলে। শুরু করেন নিজের পছন্দের পেশায় কাজ করা।

লি বলেন, "প্রথমবার যখন আমি এখানে একটি ক্লাসের সামনে দাঁড়িয়েছিলাম এবং দেখেছিলাম যে বাচ্চারা আমার দিকে তাকিয়ে আছে । আমার কথা এত মনোযোগ দিয়ে শুনছে, আমি বুঝতে পেরেছি যে গ্রামীণ শিশুদের জন্য নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

লি’র ক্লাস করে কবিতার মাধ্যমে মনের অনুভূতি প্রকাশ করতে পেরে খুশি শিশুরাও। এক শিশু বলে,

"আমি বাবা-মায়ের পথ অনুসরণ করি। তারা যখন বাড়িতে থাকে না, আমি বাধ্য হয়ে গ্রামের প্রতিটি পথে তখন হাঁটি," ।

সাহিত্যের অনুপ্রেরণামূলক শক্তিকে কাজে লাগাতে শিশুদের নিয়ে একটি সংগঠন করেন লি। গেল ছয় বছরে এই শিক্ষক শিক্ষার্থীদের হাজারেরও বেশি কবিতার বই উপহার দিয়েছেন।

লি শিশুদের কবিতার জ্ঞান শুধু ক্লাসরুমেই দেন না, মাঠেও নিয়ে যান প্রকৃতিকে অনুধাবন করতে। এক শিশু বলে, "সূর্যের পায়ে হেঁটে, আমি পুড়ে যাচ্ছি। চাঁদের পদে পদে হেঁটে আমি একাকী,"

লি বিশ্বাস করেন কবিতা লেখা শিশুদের মনের জোরও বাড়িয়ে দেয়। পাশাপাশি তারা বুঝতে পারে তাদের গুরুত্ব সম্পর্কে । অনুধাবন করতে পারে নিজেদের অবস্থান।

লি বলেন, "কবিতা লেখা আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে। একটি শিশু একবার আমাকে বলেছিল সে যদি কবিতা লিখতে পারে,তার মানে সে অন্য কাজও করেতে পারে। আমি দেখি তারা নিজেদেরকে ছাড়িয়ে যায়। একসময় যা অসম্ভব বলে মনে হয়েছিল তা এখন অনেক সহজ’।

নিজের কবিতা লেখার এবং আবৃতি করার দক্ষতা শিশুদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতেই এ যেন কঠিন সাধনায় নিজেকে নিয়োজিত করেছেন লি।

প্রতিবেদন: আফরিন মিম

সম্পাদনা: শান্তা মারিয়া

পুঁতিতে গাঁথা জীবনের কাব্য

পুঁতির মালা গাঁথার রীতি বিশ্বের সব দেশেই রয়েছে।তবে একেক দেশের পুঁতিশিল্প একেক রকম। চীনের হ্যনান প্রদেশের লুওইয়াং সিটি বিভিন্ন রকম কারুশিল্পের জন্য বিখ্যাত। এর অন্যতম হলো পুঁতি বুনন। এই কারুশিল্পের একজন ইনহেরিটর হলেন ছু ম্যংতান। শুনবো তার কথা

লু্ওইয়াং সিটির বিশেষ কারুশিল্প পুঁতি বুননের একজন ইনহেরিটর নারী ছু ম্যংতান। তিনি চার প্রজন্ম ধরে এই শিল্পের ধারা বহন করছেন।

首页上一页1234全文 4 下一页

Share this story on

Messenger Pinterest LinkedIn