বাংলা

আকাশ ছুঁতে চাই ৭৫

CMGPublished: 2024-06-20 18:46:40
Share
Share this with Close
Messenger Pinterest LinkedIn

তিনি কৃষি পণ্য অনলাইনে বিক্রি শুরু করেন। তিনি তার ক্যামেরায় গ্রাম জীবনের ছবি তোলেন। তিনি স্থানীয় কৃষিপণ্য অনলাইন প্লাটফর্মে বিক্রি শুরু করেন। এর ফলে স্থানীয় কৃষিপণ্যের বিক্রি বেড়ে যায়। চলতি বছর এপ্রিল মাসে তু ট্র্যাকটর এবং কমবাইন হারভেস্টার চালানোর লাইসেন্স পেয়েছেন। তিনি শুধু নিজের খামারের নয়, গ্রামবাসীকেও সাহায্য করছেন। তাদের ফসল তোলার জন্য হারভেস্টার মেশিন চালাচ্ছেন তু। তু বলেন, প্রতিদিন আমি দারুণ ব্যস্ত সময় পার করছি। গ্রামবাসীদের গমের ফসল তুলতে সাহায্য করছি। তবে ব্যস্ততা থাকলেও এই কাজ আমাকে আনন্দ দেয়।

চীনে এখন চলছে গ্রাম পুনর্জীবনের ধারা। এই ধারায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন তু এর মতো উচ্চশিক্ষিত তরুণ তরুণীরা। এরা উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পর গ্রামে ফিরে এসে কৃষি ক্ষেত্রকে উন্নত করে তুলছেন। তারা গ্রামের অর্থনীতিতে নিয়ে এসেছেন নতুন জীবনের স্পর্শ।

কণ্ঠ: হোসনে মোবারক সৌরভ

জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীতে চীনের নারী চেং লেইলি

জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীতে সাফল্যের সঙ্গে কাজ করছেন চীনের নারী চেং লেইলি। এই সাহসী নারীর কথা শুনবো প্রতিবেদনে।

প্যাকেজ: চীনের নারী চেং লেইলি। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীতে কাজ করছেন তিনি। লেবাননে ২২তম চীনা শান্তিরক্ষা মেডিকেল টিমের প্রধান নার্স চেং লেইলি যোগ্যতার সঙ্গে নিজের দায়িত্ব পালন করছেন।

লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে যুদ্ধের ঘনঘটার মধ্যে ছয়মাস ধরে কাজ করছেন হেড নার্স চেং লেইলি। ৩০ বছর বয়সী চেং জানান যখন তিনি লেবানন সীমান্তে কাজ করার জন্য আবেদন করেন তখন পরিবারের সদস্যরা আঁতকে উঠেছিলেন। কিন্তু তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, তিনি শুধু নার্সই নন, একজন সৈনিকও। চীনা সেনাবাহিনীর একজন গর্বিত সৈনিক হিসেবে তিনি তার কর্তব্য পালনকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। লেবাননে কাজ করতে এসে ভাষাগত সমস্যায় কিছুটা ভুগতে হয়। সেজন্য তিনি ইংরেজি ভাষা চর্চা শুরু করেন। দ্রুতই ইংরেজিতে দক্ষ হয়ে ওঠেন তিনি। ফলে রোগী ও অন্যদেশের সহকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগে তার কোন সমস্যা হয় না।

যে কোন জরুরি পরিস্থিতির জন্য তৈরি থাকতে হয় তাকে। কঠোর পরিশ্রমও করতে হয়। এরই মধ্যে তিনি কিছুটা সময় পেলে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও অংশ নেন। চীনা দূতাবাসের অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেয়া, ক্যালিগ্রাফির চর্চা, আন্তর্জাতিক নারী দিবস, চীনের জাতীয় দিবসসহ বিশেষ দিনগুলো উদযাপন করেন উৎসাহের সঙ্গে।

রাতের ডিউটি শেষে কথা মোবাইল ফোনে কথা বলেন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। মায়ের সঙ্গে কথা বলে ঘরে ফিরে যাওয়ার অনুভূতি অনুভব করেন। লেবাননের সঙ্গে চীনের সময়ের পার্থক্যের কারণে চেং যখন বাড়িতে ফোন করার সময় পান চীনে তখন রাত এগারোটা। তবু তার মা অপেক্ষা করেন মেয়ের ফোনকলের।

চেং জানান, তিনি তার কাজের মধ্যে সবসময় চীনের গৌরব সমুন্নত রাখার দিকে সচেতন থাকেন।

প্রতিবেদন: শান্তা মারিয়া

সম্পাদনা: ফয়সল আবদুল্লাহ

কণ্ঠ: আফরিন মিম

সুপ্রিয় শ্রোতা। আকাশ ছুঁতে চাই অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে পৌছে গেছি আমরা। সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিদায় নিচ্ছি আমি শান্তা মারিয়া। আবার কথা হবে আগামি সপ্তাহে। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। চাই চিয়েন।

সার্বিক সম্পাদনা : ইয়ু কুয়াং ইউয়ে আনন্দী

লেখা, গ্রন্থনা ও উপস্থাপনা: শান্তা মারিয়া

অডিও সম্পাদনা: হোসনে মোবারক সৌরভ

首页上一页1234 4

Share this story on

Messenger Pinterest LinkedIn