আকাশ ছুঁতে চাই ৭৫
এ সময়েই বইটি তার জীবনে নতুন আশার আলো জ্বেলে দেয়।
সিয়াওওয়েই বলেন, ‘বই পড়ার মাধ্যমে, হোং লও মং পড়ার মাধ্যমে এবং আমাদের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতিকে পড়ার মাধ্যমে আমি ধীরে ধীরে আমার বিষণ্নতা থেকে বের হয়ে আসি। সুতরং প্রাচীন জ্ঞানী ব্যক্তিদের সঙ্গে আলাপের মাধ্যমে আমি জানি বই হলো মনের আশ্রয় এবং এমন স্বান্ত্বনা যা আমরা চিরদিন সাথে রাখতে পারি।’
সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে সিয়াওওয়েই এবং তার স্বামী লাইব্রেরিতে গিয়ে হোং লও মং সংক্রান্ত বই নিয়ে আসতেন। তারা এ বিষয়ে পড়াশোনা করে ইতিহাসের সেই সময় সম্পর্কে বিস্তারিত জ্ঞান অর্জন করেন। এখন প্রতিদিন সকাল ৭টায় সিয়াওওয়েই ঘুম থেকে ওঠেন। তার বিষয়বস্তু বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করেন। এর ফলে তার উপস্থাপনা আরও বেশি প্রফেশনাল হয়ে ওঠে।
সিয়াওওয়েই তার পাঠ, বিশ্লেষণ এবং অভিনয়ের মাধ্যমে অসংখ্য নেটিজেনের মন জয় করেছেন। বর্তমানে চিকটকের চীনা ভার্শন দোওইনে তার ১ লক্ষ ১০ হাজার অনুসারী রয়েছে। মানুষের মনের ক্ষত সারাতে নতুনভাবে স্বপ্ন দেখতে, আশার সঞ্চার করতে চিরায়ত সাহিত্যের শক্তি প্রমাণ করেছেন চীনের নারী সিয়াওওয়েই।
সম্পাদনা ফয়সল আবদুল্লাহ
তরুণ প্রজন্মের কৃষক নারী তু মংইউয়ান
কৃষক বাবার কৃষক কন্যা। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েশন করে তিনি মাটির টানে ফিরে এসেছেন কৃষিকাজে। হ্যনান প্রদেশের বাসিন্দা তু মংইয়ুয়ানের এই কৃষি খামারের সাফল্য লাভের কাহিনী শুনবেন প্রতিবেদনে।
মধ্য চীনের হ্যনান প্রদেশ। ফিংতিনশান সিটির লুশান কাউন্টি, কুয়ানমিয়াতোও গ্রামের বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ। এই দিগন্তজোড়া ফসলের মাঠে হারভেস্টার মেশিন চালাচ্ছেন এক তরুণী। তিনি তার বাবার সঙ্গে যৌথভাবে গড়ে তুলেছেন খামার। এই তরুণীর নাম তু মংইউয়ান। ২২ বছর বয়সী এই নারী ২০২৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েশন করেন। তারপর চাকরি বা শহরে বাস করাটাই ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু মাটির প্রতি গভীর টান রয়েছে তু মংইয়ুয়ানের। তিনি সিদ্ধান্ত নেন গ্রামে ফিরে যাবেন।
তু মংইউয়ান বলেন, মাটির প্রতি তার গভীর ভালোবাসা। তিনি গ্রামে ফিরে আসেন কারণ তিনি জন্মস্থানের ঋণ শোধ করতে চান, এই মাটির উন্নয়নে কাজ করতে চান। বাবার কৃষিখামারে কাজ শুরু করেন তু। এখানে তিনি শুরু করেন আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার।