আকাশ ছুঁতে চাই ৪৫
জয়সূচক শেষ বাঁশিটি বাজার পর অনেকের চোখেই দেখা দেয় আনন্দ অশ্রু। চীনের সু ইসিয়াও ‘সেরা আক্রমণকারী’ এবং সু লিমেই ‘বেস্ট রিসিভার’ খেতাব পান।
চীনা খেলোয়াড় লিউ হোংছিন বলেন, আত্মবিশ্বাস এবং ধৈর্য ছিল চীনা দলের প্রধান শক্তি। তবে কানাডার নারীরাও যথেষ্ট শক্তিশালী। বিশেষ করে টোকিও প্যারালিম্পিকের পর তারা আরও উন্নতি করেছে। তাই হাড্ডাহাডি লড়াইয়ের পরই বিশ্বকাপ জয় করা সম্ভব হয়েছে। প্যারিস প্যারালিম্পিকে আবার মোকাবেলার আশা করছেন চীনা দল।
পাকিস্তানে নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করছে বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগ