আকাশ ছুঁতে চাই ৪৫
চাং ছিয়ংফেন একসময় ছিলেন পার্টটাইম নির্মাণ শ্রমিক। এই এমব্রয়ডারি শিল্প তার জীবনের নকশা নতুন করে বুনন করেছে।
ই জাতির মেয়ে চাং তার মায়ের কাছ থেকে শেখেন এমব্রয়ডারি। এই এমব্রয়ডারি তাদের জাতির নারীদের এক বিশেষ বৈশিষ্ট্য। তারা বংশ পরম্পরায় এই এমব্রয়ডারি শেখেন।
চাংও ছোটবেলা থেকে এই কাজ শিখেছেন। পরে তিনি অস্থায়ী নির্মাণ শ্রমিক হন।
নির্মাণ কাজে তাকে প্রচুর পরিশ্রম করতে হয়। কিন্তু যখন গ্রাম পুনর্জীবনের ধারা শুরু হয় তখন তিনি গ্রামে ফিরে এসে নকশী কাজের জন্য প্রতিষ্ঠিত কারখানায় প্রশিক্ষণ নিয়ে এখানে কাজ শুরু করেন।
এই কারখানার ম্যানেজার ফান চিইয়ং মনে করেনে এখানে নারীরা শুধু তাদের হাতের কাজের বিনিময়ে বেতনই পাচ্ছেন না, তাদের আত্মবিশ্বাসও বেড়ে গিয়েছে। এটাকে তারা নিজেদের জীবনের মিশন হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তারা মনে করছেন আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি তারা ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতিকেও রক্ষা করছেন।
এই কারখানায় তৈরি কাপড় এখন বিশ্ব বাজারে জায়গা করে নিচ্ছে।
ই জাতির নারীদের নকশীকাজ এত বিখ্যাত হয়েছে যে, বেইজিংয়ের ফ্যাশন শো এবং ইতালির মিলানে বিখ্যাত ফ্যাশন শোতেও মডেলরা এই এমব্রয়ডারির পোশাক পরেছেন।
চীনের আধুনিকীকরণ হলো বিশাল জনগোষ্ঠীকে সঙ্গে নিয়ে। এর মাধ্যমে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নয়নের মেলবন্ধন ঘটছে। মানবতা ও ও প্রকৃতির মধ্যে সুষম সমন্বয়ের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ উন্নয়ন ঘটছে গ্রাম ও শহরে।
সিটিং ভলিবলে চীনা নারীদের বিশ্ব জয়
প্রতিবন্ধী ক্রীড়াবিদদের একটি বিশেষ ক্রীড়া হলো সিটিং ভলিবল। সম্প্রতি এই ক্রীড়ায় বিশ্বকাপ জয় করেছেন চীনের নারীরা। চলুন শোনা যাক বিস্তারিত।
চীনের নারীরা সিটিং ভলিবলে বিশ্ব কাপ খেতাব জিতে নিয়েছেন। সম্প্রতি মিশরের কায়রো সিটিতে অনুষ্ঠিত প্রতিবন্ধী খেলোয়াড়দের এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় কানাডাকে হারিয়ে জয় ছিনিয়ে নেয় চীনের মেয়েরা।