আকাশ ছুঁতে চাই ৪৪
এথনিক সংস্কৃতির সংরক্ষণ ও বিকাশের মাধ্যমে এর জনপ্রিয়তাও বাড়ছে। পর্যটকরাও আসছেন এগুলোর আকর্ষণে। ফলে পুরো এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়ন হচ্ছে।
গোলাপের সৌরভে
চীনে এখন গ্রামীণ পুনর্জীবনের ধারা চলছে। এই ধারায় স্থানীয় পর্যায়ে গড়ে উঠছে বিভিন্ন কৃষি খামার ও শিল্প। এসব কৃষি খামারে কাজ করে নিজেদের আয় বৃদ্ধি করছেন স্থানীয় গ্রামবাসী নারীরা। চীনের কানসু প্রদেশে এমনি একটি গোলাপ খামারে কাজ করে কিভাবে একজন নারী তার ভাগ্য বদলেছেন । চলুন শোনা যাক সেই গল্প।
গান শুনতে শুনতে কাগজের বাক্সে গোলাপ ফুল ভরছেন সু শুছিন। ৩২ বছর বয়সী নারী সু শুছিন চাকরি করেন একটি গোলাপ ফুল উৎপাদনকারী কোম্পানিতে। গোলাপ ফুল তার জন্য নিয়ে এসেছে সৌভাগ্যের সুবাতাস। চীনের কানসু প্রদেশের লিনসিয়া হুই স্বায়ত্তশাসিত প্রিফেকচারের ফুহান টাউনশিপে গড়ে উঠেছে গোলাপ ফুলের বড় খামার। গ্রিন হাউজে এখানে চাষ করা হচ্ছে গোলাপ ফুল। এখানে রীতিমতো রোজ গিগাফ্যাক্টরি গড়ে উঠেছে। ফুহান টাউনশিপে বাস করেন চল্লিশ হাজারের মতো বাসিন্দা। পাঁচশর চেয়ে বেশি বাসিন্দার কর্মসংস্থান হয়েছে গোলাপের গ্রিনহাউজে।
সু শুছিন এখানকারই নারী। তার কর্মসংস্থান হয়েছে এখানে। সু প্রতিদিন চার হাজারের বেশি তাজা ফুল প্যাকেটে ভরেন। তিনি কানে হেডফোন লাগিয়ে গান শুনতে শুনতে কাজ করেন। তিনি জানান এই চাকরির ফলে তার জীবনে এসেছে স্বাচ্ছন্দ্য। তার রোজগার বেড়েছে।
পরিবারের জীবনমানও বাড়াতে পেরেছেন এখানে উপার্জিত অর্থ দিয়ে।