আকাশ ছুঁতে চাই ৪৩
ডেলগ প্রথমে তার স্বামী সু হ্য এর সঙ্গে বৃক্ষরোপণে অংশ নেন। তারা দুজন ২০০৪ সাল থেকে আলক্সা ব্যানারে মরুকরণ রোধ করতে বৃক্ষরোপণ শুরু করেন। এখানে হালোক্সিলন গাছের বন তৈরির কাজ করতে থাকেন দুজন। এই গাছে পানি তুলনামূলকভাবে কম লাগে এবং গাছটির প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার ক্ষমতা অন্য গাছের চেয়ে বেশি।
দিনের পর দিন অক্লান্ত পরিশ্রমে সাড়ে তিন হাজার মু বা ২৩৩.৩৩ হেকটর জমিতে বন তৈরি করেন এই দম্পতি। তাদের গড়ে তোলা এই অরণ্যকে মরুকরণের বিরুদ্ধে একটি ঢাল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই অরণ্যের ফলে হেইছং রেলিক সাইটে বালির ঝড় প্রতিরোধ হয়েছে।
২০০৪ সালে মরুভূমির মধ্যে তারা একটি বাংলোবাড়িও নির্মাণ করেন।
২০২১ সালে সু হ্যর মৃত্যু হয়। প্রিয় জীবনসঙ্গীর আরাধ্য কাজকে বয়ে নিয়ে চলেন ডেলগ। এখন সু এবং ডেলগের পুত্র এই কাজ করছেন। মা ও ছেলের প্রয়াসে মরুভূমিতে গড়ে উঠছে বৃক্ষের সবুজ প্রাচীর।
প্রবীণ নারী ডেলগ এখনও প্রতিদিন তার বাইকে চড়ে গাছগুলো পরিদর্শন করেন। যে গাছগুলো তিনি ও তার জীবনসঙ্গী নিজের হাতে রোপণ করেছিলেন সেগুলোর গায়ে হাত বুলান। যেন ওগুলো তাদের সন্তান। এভাবেই নিজের হাতের ছোঁয়ায় মরুভূমিকে সবুজ করার কাজ করে চলেছেন এই পরিশ্রমী নারী।
প্রতিবেদন: শান্তা মারিয়া
সম্পাদনা: রহমান
সুপ্রিয় শ্রোতা আকাশ ছুঁতে চাই অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে পৌছে গেছি আমরা।
অনুষ্ঠানটি কেমন লাগছে সে বিষয়ে জানাতে পারেন আমাদের কাছে। আপনাদের যে কোন পরামর্শ, মতামত সাদরে গৃহীত হবে। আপনাদের কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছি আমি শান্তা মারিয়া। আবার কথা হবে আগামি সপ্তাহে। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। চাই চিয়েন।
সার্বিক সম্পাদনা : ইয়ু কুয়াং ইউয়ে আনন্দী
লেখা, গ্রন্থনা ও উপস্থাপনা: শান্তা মারিয়া
কণ্ঠ: শান্তা মারিয়া, শুভ আনোয়ার, রওজায়ে জাবিদা ঐশী
অডিও সম্পাদনা: রফিক বিপুল