আকাশ ছুঁতে চাই ৪৩
তিনি তার কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে মিলে নাচ গান প্র্যাকটিস করেন। কারণ তাদের নাচের দক্ষতা থাকলেও গানের ক্ষেত্রে বেশ দুর্বলতা ছিল।
আরেকটি বিষয়ে খেয়াল রাখতে হয়েছে। সেটা হলো যোগাযোগের ক্ষমতা বাড়ানো। মঞ্চে গান পরিবেশনের সময় দর্শক-শ্রোতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে হয়। যেমন হয়তো মঞ্চ থেকে লাফ দিয়ে দর্শকদের মাঝখানে গিয়ে পড়তে হয়।
একজন নারীর পক্ষে এসব ক্ষেত্রে সংকোচ কাটিয়ে ওঠা বেশ কঠিন। চাও ও তার বন্ধুরা এটার চর্চা করেন।
এটা অবশ্য শুধু পোকারের বেলায় নয়। সামাজিক কয়েকটি গবেষণায় জানা গেছে অল ফিমেল ব্যান্ডের ক্ষেত্রে সংকোচ কাটিয়ে উঠে দর্শক মাতানো বেশ কঠিন একটি চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জটা মেয়েদের নানাভাবে অতিক্রম করতে হচ্ছে।
পোকারের সদস্যরা বেশিরভাগই কলেজ শিক্ষার্থী অথবা কর্মজীবী। তারা ২০২০ সালে ব্যান্ড গঠন করেন। তার পরপরই তাদের মোকাবেলা করতে হয় কোভিড পরিস্থিতি। প্রথম দিকে অনেকগুলো শো বাতিল হয় স্বাস্থ্য ঝুঁকির জন্য। তবে তাদের দলের পরিবেশনা ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এখন চাও এর বাবা মা আর এ বিষয়ে বাধা দেন না। কারণ তারা নিশ্চিন্ত হয়েছেন যে শোবিজে তার ক্যারিয়ার একটা গতি পেয়েছে।
বছরের সেরা নারী কোচ
চীনের নারীরা ক্রীড়াক্ষেত্রে এগিয়ে চলেছেন। আন্তর্জাতিক খ্যাতি ও সম্মানও পাচ্ছেন তারা। এমনি একজন নারী শুই ছিংসিয়া। এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন সম্প্রতি তাকে বছরের সেরা নারী কোচের সম্মান দিয়েছে।
শুই ছিংসিয়া, চীনের নারী ফুটবল দলের কোচ। এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন সম্প্রতি শুই ছিংসিয়াকে উইমেন’স কোচ অব দ্য ইয়ার অভিধায় ভূষিত করেছেন। সম্প্রতি কাতারের দোহায় এই সম্মাননার আয়োজন করা হয়। মা ইয়ুয়ান আনের পর তিনি চীনের দ্বিতীয় নারী যিনি এই সম্মাননা অর্জন করলেন। মা ইয়ুয়ান আন ১৯৯৬ সালে এই সম্মাননা পেয়েছিলেন।