আকাশ ছুঁতে চাই ৪০
পুরুষ ও নারীদের বক্সিংয়ের নিয়মে কিছু পার্থক্য রয়েছে। পুরুষদের একেকটি রাউন্ড হয় ৩ মিনিটে এবং তারা ১২ রাউন্ড খেলেন। কিন্তু নারীদের একেকটি রাউন্ড ২ মিনিটের এবং তারা ১০ রাউন্ড খেলেন।
এতে নারীদের কৃতিত্বকে খাটো করে দেখার একটা সুযোগ তৈরি হয়।
এ কারণেই বিশ্বখ্যাত নারী বক্সাররা দাবী তুলেছেন ১২ রাউন্ড এবং তিন মিনিটের রাউন্ড খেলার। তবে আগামিতে অনুষ্ঠেয় পুয়ের্তো রিকোর অবিসংবাদিত ফেদারওয়েট বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আমান্ডা সেরানো বনাম ব্রাজিলের ড্যানিলা রামোসের খেতাব জয়ের লড়াইটি ১২ রাউন্ডের হওয়ার কথা রয়েছে। রাউন্ডও হবে তিন মিনিটের।
এটাকে একটা ভালো পদক্ষেপ বলছে ওয়ার্ল্ড বক্সিং অরগানাইজেশন, ওয়ার্ল্ড বক্সিং অ্যাসোসিয়েশন এবং ইন্টারন্যাশনাল বক্সিং ফেডারেশন। এর মাধ্যমে ক্রীড়া ক্ষেত্রে জেন্ডার বৈষম্য নিরসনে আরও একধাপ এগিয়ে যাবে বিশ্ব।
ভেষজ উদ্ভিদের চাষে ভাগ্য ফেরাচ্ছেন নারীরা
চীনের নারীরা পরিশ্রমী। তাদের রয়েছে অনেক সৃজনশীল চিন্তাভাবনাও। চীন এখন তার পুরো জনগোষ্ঠীকে দারিদ্র্যসীমার উপরে তুলে আনতে সক্ষম হয়েছে। এর পিছনে নারীদের শ্রম একটি বিশাল ভূমিকা রেখেছে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে নারীরা তাদের দীর্ঘদিনের লালিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দিয়েছেন। এমন ঘটনা ঘটেছে চিলিন প্রদেশের সানডাওকোও টাউনের একটি গ্রামে। চলুন শোনা যাক সেই গল্প।
চিলিন প্রদেশের সানডাওকোও টাউনের আরদাওকোও গ্রাম। পাহাড়ি এই গ্রামটি একসময় ছিল দারিদ্র্য পীড়িত। কিন্তু এই গ্রামের অবস্থা এখন অনেকটাই বদলে গেছে। আর এই বদলে দেয়ার কাজে বড় ভূমিকা রেখেছে নারীদের উদ্যোগ ও পরিশ্রম।
এই গ্রামের উইমেন ফেডারেশনের চেয়ারওম্যান চাং সিউচুয়ান তুলে ধরেন সেই সাফল্যের গল্প। তিনি জানান, গ্রামের অধিবাসীরা এখন ভেষজ উদ্ভিদ চাষ করে তাদের রোজগার বাড়িয়েছেন।
চীনা ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসাপদ্ধতি বা টিসিএম এর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো উওয়েইচি নামের এক ধরনের উদ্ভিদ। এই উদ্ভিদ শরীরে ফ্লুইড বাড়াতে সাহায্য করে এবং স্নায়ুকে শীতল রাখে।
আবহমান কাল থেকেই এই গ্রামে এই উদ্ভিদটি জন্মায়। কিভাবে এই উদ্ভিদটি জন্মায় এবং কোথায় পাওয়া যায় এটা গ্রামের প্রবীণ নারীরা জানতেন। সাম্প্রতিক গ্রামীণ অর্থনীতি পুনর্জীবনের সময় স্থানীয় প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেয় এই প্রয়োজনীয় উদ্ভিদটি বাণিজ্যিকভাষে চাষ করা হবে। গ্রামীণ নারীরা মূলত এই কাজে এগিয়ে আসেন। তারা এই চাষে অংশ নেন।
চাং বলেন, ‘ উওয়েইচি বিক্রি করে বাড়তি আয় হয়েছে। এদিয়ে গ্রামবাসীদের জীবনমান উন্নত হয়েছে। গ্রামে নতুন ঘরবাড়ি গড়ে তোলা হয়েছে।’