আকাশ ছুঁতে চাই ৩৮
১. বাংলাদেশের নারীরা পরিশ্রমী: পলিন গান,
২. মিয়াও নারীদের এমব্রয়ডারি চমক জাগাচ্ছে মিলানে
৩. নারীর শক্তিকে জাগিয়ে তোলা
৪. চায়নিজ স্টাইল
নারী ও শিশু বিষয়ক অনুষ্ঠান আকাশ ছুঁতে চাই থেকে সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি আমি শান্তা মারিয়া। আমাদের অনুষ্ঠানে আমরা কথা বলি নারী ও শিশুর অগ্রযাত্রা, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ, সাফল্য, সংকট সম্ভাবনা নিয়ে। আমরা কথা বলি সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানুষের অধিকার নিয়ে।
বাংলাদেশের নারীরা পরিশ্রমী: পলিন গান,
পহেলা অক্টোবর উদযাপিত হয় চীনের জাতীয় দিবস। ১৯৪৯ সালের ১ অক্টোবর গণপ্রজাতন্ত্রী চীন নতুন যাত্রা শুরু করে। চীনের সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের মহান নেতা চেয়ারম্যান মাও সেতুং বলেছিলেন ‘চীনের অর্ধেক আকাশ ধরে রেখেছে নারীরা’। তিনি রাষ্ট্রীয় জীবনে, আইনে, সংবিধানে এবং দেশগঠনে নারী-পুরুষের সমমর্যাদা, সম অধিকার প্রতিষ্ঠিত করেন। চীনের কমিউনিস্ট পার্টি সিপিসি তাদের সকল কর্মকান্ডে নারী-পুরুষ সমঅধিকার প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। চীনে সামাজিক জীবনে নারীর সমঅধিকার প্রতিষ্ঠায় এবং জেন্ডার বৈষম্য বিলোপে কাজ করে চলেছে অল চায়না উইমেন ফেডারেশন।
অল চায়না উইমেন ফেডারেশনের সদস্য পলিন গান। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে আছেন। প্রবাসী চীনাদের সংগঠন ওভারসিজ চাইনিজ অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশের স্থায়ী অনারারি প্রেসিডেন্টও তিনি। তার সঙ্গে সম্প্রতি কথা হয়, বাংলাদেশের নারীদের চীনা প্রতিষ্ঠানে কাজ করা বিষয়ে।
বাংলাদেশে অনেক চীনা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সেসব প্রতিষ্ঠানে পুরুষদের মতো নারীরাও কাজ করছেন। পলিন গান বাংলাদেশের নারীদের কর্মদক্ষতায় মুগ্ধ। তিনি আকাশ ছুঁতে চাইকে বলেন,
‘বাংলাদেশে নারীর সংখ্যা অনেক। আমার কারখানায় অনেক নারী কর্মী পরিচালনার পদে কাজ করছেন। আমার মনে হয়, বাংলাদেশি নারীদের ওপর আমাদের নজর দেওয়া উচিত এবং গুরুত্বারোপ করা উচিত। তারা অনেক পরিশ্রমী। এখন সমাজ উন্নত হচ্ছে, নারী শুধু চাকরিই করে না, বরং পরিবারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশে এসে আমি দেখতে পাচ্ছি যে, নারীর মর্যাদা বাড়ছে। আমি আশা করি, বাংলাদেশে চীনের সব প্রতিষ্ঠান, ওভারসিজ চাইনিজ অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশের সব সদস্য প্রতিষ্ঠান বেশি বেশি বাংলাদেশি নারীদেরকে পরিচালনা পদে নিয়োগ করবে, যাতে বাংলাদেশি নারীরা বিভিন্ন খাতে নিজের ভূমিকা পালন করতে পারে।’
পলিন গান আশা করেন বাংলাদেশি নারীরা আরও বেশি সুযোগ পাবেন এবং নিজের দেশ গঠনে আরও বেশি অবদান রাখবেন। তিনি বাংলাদেশী ও চীনা নারীদের এগিয়ে যাওয়াকে অভিনন্দন জানান।
সাক্ষাৎকার গ্রহণ: শান্তা মারিয়া
মিয়াও নারীদের এমব্রয়ডারি চমক জাগাচ্ছে মিলানে
চীনের ৫৬ জাতির অন্যতম হলো মিয়াও জাতি। এই জাতির নারীদের রয়েছে বিশেষ এমব্রয়ডারি শিল্প। আবহমান কাল ধরে মিয়াও নারীরা এমব্রয়ডারির মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন তাদের জাতির কাহিনী ও ঐতিহ্য। সম্প্রতি ইউরোপেও জনপ্রিয়তা পেয়েছে মিয়াও জাতির নারীদের এই এমব্রয়ডারি।
মিয়াও জাতিগোষ্ঠীর নারীদের তৈরি এমব্রয়ডারি , মিয়াও এমব্রয়ডারি হিসেবে সমধিক পরিচিত। চীনের অবৈষয়িক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এই এমব্রয়ডারি সম্প্রতি ইউরোপে ইতালির মিলান ফ্যাশন উইকে ঝড় তুলেছে।