বাংলা

আকাশ ছুঁতে চাই ৩৬

CMGPublished: 2023-09-21 20:07:15
Share
Share this with Close
Messenger Pinterest LinkedIn

তাদের রোজগার বেড়েছে,। লাকি ডল সত্যিই সৌভাগ্য এনেছে এলাকার নারীদের জন্য। সেইসঙ্গে এই শিল্পকে ভিত্তি করে চাঙা হয়েছে স্থানীয় অর্থনীতি।

ছাকান লেকের তীরে মৎস্যজীবী নারী

চীনে এখন চলছে গ্রাম পুনর্জীবনের ধারা। নতুনভাবে জেগে উঠছে গ্রামের অর্থনীতি। গ্রামীণ পুনর্জীবনের এই ধারাকে বেগবান করেছেন অনেক উদ্যোগী নারী। এমনি একজন উদ্যোগী নারী ছু সানমেই। কিভাবে তিনি নিজের জীবনের গল্পটি পাল্টে ফেললেন শুনবো সেই কাহিনী।

চিলিন প্রদেশের ছাংছুন সিটি। এখানে ছাকান লেকের তীরে ছু সানমেই এর রেস্টুরেন্ট। ৩৩ বছর বয়সী উদ্যোগী নারী ছু। তিনি তার রেস্টুরেন্টে নানা রকম মাছের ডিশ পরিবেশন করেন। তার তৈরি মাছের ডিশের আকর্ষণে অনেক ক্রেতা আসেন।

এটা সম্ভব হয়েছে ছাকান লেকের সংস্কার কাজ ও পরিবেশ উন্নত হওয়ার ফলে।

ছিয়ান গোরলোস মঙ্গোলিয়ান স্বায়ত্তশাসিত কাউন্টিতে এই রেস্টুরেন্টটি অবস্থিত। ছু জানান, ১৯৭০ এর দশকে ছাকান লেকের অবস্থা ছিল খুব খারাপ। এখানে পানি দূষণের পরিমাণ ছিল বেশি। ক্ষার ও লবণাক্ত মাটি এবং আশেপাশের কৃষিক্ষেত্রের কারণে পরিবেশ আরও বেশি দূষিত হয়েছিল। এখানকার মৎস্যজীবীরা তখন পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ে একেবারেই সচেতন ছিলেন না। নির্দিষ্ট একটা সময়ে যে মাছধরা বন্ধ রাখা দরকার সেটাও তারা জানতেন না। ফলে লেকের পানিতে মাছের পরিমাণ কমে যায়। লেকের মাছও দুর্গন্ধযুক্ত ছিল। সবসময় মাছ পাওয়াও যেত না।

তবে দিন বদলায়। লেকের সংস্কার কাজ হয়। এখানকার পরিবেশ উন্নত করা হয়। অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়। কৃষিক্ষেত্রগুলো আবার অরণ্যে পরিণত করা হয়। লেকের পরিমাণ বাড়ানো হয়। পানিতে পদ্মফুল ও নানা রকম জলজ উদ্ভিদ লাগানো হয়। এখন ৫০০ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় লেক সম্প্রসারণ করা হয়। মৎস্যসম্পদও বাড়ানো হয়েছে।

ছু নিজে একজন মৎস্যজীবী। ২০১৯ সালে ছু এবং তার স্বামী একটা ছোট রেস্টুরেন্ট খোলেন। তিনি ছাকান লেকের মাছ ধরে ফ্রেশ মাছ রান্না করে বিক্রি করা শুরু করেন। এখন তার রেস্টুরেন্টে ৮০টি টেবিল। দৈনিক ৩০০ ক্রেতা আসেন।

ছু জানান, গ্রীষ্মকালে তারা লোটাস ফেস্টিভ্যাল করেন। তখন পদ্মফুলের বীজ ও মৃণাল সঙ্গে মাছের নানা রকম ডিশ পাওয়া যায়।

ছু বলেন, আগে অনেক মৎস্যজীবী এখান থেকে চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু এখন অনেকে আবার ফিরে আসছেন। বিশেষ করে নারীরা অনেকেই এখানে রেস্টুরেন্ট খুলেছেন। তারা গ্রামীণ অর্থনীতিকে নতুনভাবে জাগিয়ে তুলছেন।

প্রতিবেদন: শান্তা মারিয়া

সম্পাদনা: রহমান

সুপ্রিয় শ্রোতা আকাশ ছুঁতে চাই অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে পৌছে গেছি আমরা।

অনুষ্ঠানটি কেমন লাগছে সে বিষয়ে জানাতে পারেন আমাদের কাছে। আপনাদের যে কোন পরামর্শ, মতামত সাদরে গৃহীত হবে। আপনাদের কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছি আমি শান্তা মারিয়া। আবার কথা হবে আগামি সপ্তাহে। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। চাই চিয়েন।

সার্বিক সম্পাদনা : ইয়ু কুয়াং ইউয়ে আনন্দী

লেখা, গ্রন্থনা ও উপস্থাপনা: শান্তা মারিয়া

কণ্ঠ: শান্তা মারিয়া, আবদুল্লাহ আল মামুন দুর্বার

অডিও সম্পাদনা: রফিক বিপুল

首页上一页1234 4

Share this story on

Messenger Pinterest LinkedIn