বাংলা

আকাশ ছুঁতে চাই ৩৩

CMGPublished: 2023-08-31 16:12:57
Share
Share this with Close
Messenger Pinterest LinkedIn

এবারের প্রচারাভিযান শুরুর আগে এমআরআই স্ক্যানার এবং হাইপারবারিক অক্সিজেন চেম্বার তৈরি করতে মেডিকেল ডিভাইস নির্মাতাদের সাথে যোগাযোগ করেন তিনি। এতে করে এসব আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় সরাসরি গ্রামে চিকিৎসা দেন তারা।

এ প্রসঙ্গে লিং বলেন, "গ্রামের অনেক রোগী আমাদের ক্যাম্পেইনে তাদের প্রথম এমআরআই পরীক্ষা করেছেন। যেহেতু এমআরআই স্ক্যান হল মাথা, সার্ভিকাল মেরুদণ্ড এবং হাঁটুর জয়েন্টের সমস্যা শনাক্ত করার একটি ভাল উপায়, ফলে সহজেই হাঁটুর সমস্যা চিহ্নিত করতে পেরেছি”।

এই চার দিনের ক্যাম্পেইনে ঘাড় বাঁকা হয়ে যাওয়া বা টর্টিকোলিসে আক্রান্ত একজন ছেলের অস্ত্রোপচার করেন স্বেচ্ছাসেবক চিকিৎসকরা। সাতজন চিকিৎসকের যৌথ প্রচেষ্টায় ছেলেটির সফল অস্ত্রোপচার হয়।

আর্থিক অস্বচ্ছলতা বা স্বাস্থ্যজ্ঞানের অভাবের কারণে, অনেক স্থানীয় বাসিন্দা সচেতন নয় তাদের স্বাস্থ্য নিয়ে। ফলে অনেক ছোট রোগও ধীরে ধীরে বড় রোগে পরিণত হয়। এই রোগীদের শুরু থেকেই সচেতন করার পাশাপাশি চিকিৎসা সেবা প্রদান করার জন্য ২০১৭ সাল থেকে লিং ফেং এর নেতৃত্বে কাজ করছে চীনের এই মেডিকেল স্বেচ্ছাসেবক দল।

প্রতিবেদন: আফরিন মিম

সম্পাদনা: শান্তা মারিয়া

চাং হোং ইয়ানের চায়ের আড্ডা

চীনের চেচিয়াং প্রদেশের চা খুব বিখ্যাত। এই খ্যাতিকে কাজে লাগিয়ে নিজের পরিচিতি ও অর্থনৈতিক সাফল্য দুটোই পেয়েছেন চাং হোংইয়ান। চীনের গ্রাম পুনর্জীবনের ধারায় তিনিও শহর থেকে গ্রামে ফিরে নিজের এবং আশপাশের মানুষকে সমৃদ্ধ করেছেন। গড়ে তুলেছেন নারীদের নিয়ে একটি দল। বিস্তারিত শুনবো প্রতিবেদনে।

চীনের চা সংস্কৃতি অত্যন্ত সমৃদ্ধ। চেচিয়াং প্রদেশের চা সংস্কৃতির রয়েছে বিশেষ গৌরবময় ইতিহাস। এই সংস্কৃতি গৌরব বয়ে এনেছে চেচিয়াংয়ের মেয়ে চাং হোং ইয়ানের জীবনে।

চেচিয়াংয়ের হাংচৌ সিটির চিংশান গ্রামের একটি সরাইখানা উফাং শানফাং। এই গ্রামের মানুষ তো বটেই আশপাশের অঞ্চলেও এই সরাইখানার নাম লোকের মুখে মুখে ফেরে। কারণ এখানে প্রাচীন চীনের সংস্কৃতির ধারা অনুসরণ করে সেই আমেজে চা পরিবেশন করা হয়। এই সরাইখানায় চা পরিবেশন করে খ্যাতি ও অর্থ দুটোই পেয়েছেন চাং হোং ইয়ান।

চা পরিবেশনের পাশাপাশি তিনি ও তার টিমের সদস্যরা এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ইতিহাসকেও তুলে ধরেন। হাংচৌর একটি চা বাগানেই এই সরাইখানাটি স্থাপন করা হয়েছে।

চাং হোং ইয়ান ছোটবেলায় ছিলেন ইনট্রোভার্ট ধরনের। লোকের সঙ্গে বেশি কথা বলতে পারতেন না।

তিনি একসময় শহরে একটি চাকরিতে ঢোকেন। কিন্তু স্বাস্থগত কারণে সেই চাকরিটি ছাড়তে হয়। চাং এর বাবা মা সেসময় হোটেল ব্যবসা শুরু করার উদ্যোগ নিচ্ছিলেন। চাং তাদের সঙ্গে যোগ দেন। অনেকেই তখন ভেবেছিলেন চাং এই কাজে সাফল্য পাবেন না।

চিংশান গ্রাম বিশেষ ধরনের চিংশান চায়ের জন্য খ্যাত। চাংয়ের বাবা মা নিজস্ব কারখানা গড়ে তোলেন চা প্রক্রিয়াজাত করণের জন্য।

২০১৬ সালে চাংয়ের বয়স ছিল ২৯ বছর। তিনি চায়ের সরাইখানা খোলেন। এ বিষয়ে তিনি প্রশিক্ষণ নেন ও লেখাপড়া করেন।

首页上一页12345全文 5 下一页

Share this story on

Messenger Pinterest LinkedIn