আকাশ ছুঁতে চাই ৩০
এমন অনেক নারী আছেন যিনি গৃহকর্ম ও ব্যবস্থাপনায় দক্ষ এবং সংসারের গৃহস্থালী কাজ করতে ভালোবাসেন। তারা হয়তো অফিসে কাজ না করে শান্তি ও নিরিবিলিতে কাজ করতে চান, শিশুর দেখাশোনা ও ঘরের খুঁটিনাটি কাজে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। এমন নারীদের জন্য এখন সম্মানজনক পেশা হয়ে দাঁড়াচ্ছে হাউজ কিপিং।
চু চুননানের মতো অনেক আধুনিক নারীই এগিয়ে এসছেন এই পেশায়। মর্যাদা ও বেতন দুটোই বাড়ছে পেশাটিতে।
প্রতিবেদন: শান্তা মারিয়া
সম্পাদনা: রহমান
পরিবেশবান্ধব কলম তৈরি করেছেন বাংলাদেশের নারী
‘বীজযুক্ত কলম’ উদ্ভাবন করে বাংলাদেশে আলোচিত হয়েছেন নাছিমা আক্তার। নতুন ধরনের এই কলম বিক্রি করে এরইমধ্যে স্বাবলম্বী হয়েছেন যশোরের এই নারী। এই কলমের ভেতর দেয়া হয় একটি বীজ। কালি শেষ হওয়ার পর কলমটি মাটিতে ফেলে দিলেই তা থেকে তৈরী হবে চারা গাছ। এ নিয়ে আমাদের একটি প্রতিবেদন আছে।
প্লাস্টিকমুক্ত সবুজ পৃথিবী গড়ার উদ্দেশ্য নিয়েই ‘পরিবেশবান্ধব কাগজের কলম’ উদ্ভাবন করেন যশোরের নাছিমা আক্তার। দেশজুড়ে আলোচনার পর, আন্তর্জাতিক মহলেও ছড়িয়ে যায় বিশেষ এই কলমের খ্যাতি। এরই মধ্যে পাঁচ হাজার পিস বীজযুক্ত কলম যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানী করেছেন তিনি।
এই কলমের পেছন দিকে সংযুক্ত করা হয় ফুল, ফল ও সবজির বীজ। কালি শেষ হওয়ার পর কলমটি মাটিতে পুঁতে দিলে তা থেকে তৈরি হবে গাছ।
শুধু কাগজের কলম ১০ টাকায় এবং খুচরায় বীজযুক্ত কলম ১৫ টাকায় বিক্রি করছেন নাছিমা। এখন গড়ে প্রতিদিন এক হাজারটি কলম তৈরি করছেন তিনি। সব মিলিয়ে মাসে তার বিক্রির পরিমাণ এখন ৪ লাখ ছাড়িয়েছে। দুই হাজারের বেশি নিয়মিত ক্রেতা রয়েছে এই কলমের। বিশেষ করে বিভিন্ন এনজিও তার কাছ থেকে কলম কিনে নেয়।
নাছিমার বড় মেয়ে রেবেকা সুলতানা ঢাকার একটি কলেজ অনার্স করে এখন মাকে সহযোগিতা করছেন। একমাত্র ছেলে পড়াশোনার পাশাপাশি তৈরি করছেন কলম। এছাড়া গ্রামের আরো ১০ জন নারীকে সঙ্গে নিয়ে কলম তৈরির কাজ এগিয়ে নিচ্ছেন নাছিমা আক্তার। ভবিষ্যতে ১০০ নারীকে সম্পৃক্ত করার ইচ্ছে রয়েছে তার।
দেশের সব জেলায় এবং বিদেশে এই কলমের চাহিদা আছে উল্লেখ করে এই নারী উদ্যোক্তা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বীজযুক্ত কলম দেশে কর্মরত বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা, আন্তর্জাতিক সংস্থা, সরকারি-বেসরকারি দফতর কিনে নিয়ে যায়। গেল ফেব্রুয়ারি মাসে পাঁচ হাজার পিস বীজযুক্ত কলম যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানী করা হয়েছে। সামনে আরও যাবে। এসব কলমে সংযুক্ত করা হয়েছে ডালিয়া ফুলের বীজ। কেউ চাইলে তার পছন্দের বীজ দিয়ে কলম তৈরি করে দেওয়া যাবে।’
প্রতিবেদন: হাবিবুর রহমান অভি
গ্রাম উন্নয়নের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন তিব্বতি তরুণী
গ্রাম উন্নয়নের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন তিব্বতি তরুণী ড্রোলমা। দীর্ঘদিন নিজ প্রদেশের বাইরে কাজ পর নিজের গ্রামে ফিরে মুদির দোকান দিয়ে সাফল্যের মুখ দেখেছেন এই তরুণী। মাসে আয় করছেন ৩০ হাজার ইউয়ান। ড্রোলমা এখন তার গ্রামের অনেক তরুণ-তরণীর অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন । বিস্তারিত শুনবো প্রতিবেদনে।
একদিকে পাহাড়, অন্যদিকে তৃণভূমি। মাঝখানে দিয়ে চলছে যানবাহন। আর রাস্তার মোড়ের একটি দোকানে বাহারি ধরনের খাবার বিক্রি করছেন তিব্বতি তরুণী ড্রোলমা। এই কনফেকশনারি দোকানের মালিক তিনি নিজেই। অনুন্নত গ্রাম, ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় নিজ শহরের বাইরে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন তিনি। তবে গ্রামের চিত্র যখন পাল্টাতে থাকে তখন ফিরে আসেন নিজ গ্রামে। শুরু করেন নিজের ব্যবসা।