আকাশ ছুঁতে চাই ২৭
১৬ বছর বয়সী ছুয়ান তিনটি নিখুঁত-১০ ডাইভের মাধ্যমে ব্যক্তিগত ইভেন্টেও সোনা জেতেন। তবে তিনি উচ্ছ্বসিত ছিলেন তাদের যৌথ পারফরমেন্স নিয়ে।
১৭ বছর বয়সী চেন ব্যক্তিগত ইভেন্টে সতীর্থের কাছে হেরে গেলেও তিনিও খুশি যৌথ পারফরমেন্সে। ২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিকে দুজনে মিলে চীনকে আরও ভালো ফলাফল এনে দিতে চান।
অন্যদিকে
সম্প্রতি বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট দল টিটোয়েন্টি সিরিজের শেষ খেলায় ভারতকে হারিয়ে জয় তুলে নেয়। ১৩ জুলাই ঢাকার মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ভারতকে ৪ উইকেটে হারায় বাংলাদেশের নারী দল।
শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেট হারিয়ে ১০২ রান করে ভারত। জবাব দিতে নেমে ১০ বল আগেই জয় নিশ্চিত করে টাইগ্রেসরা। এর মাধ্যমে পাঁচ বছর পর ভারতের বিরুদ্ধে জয় পেল বাংলাদেশের মেয়েরা।
প্রতিবেদন: শান্তা মারিয়া
সম্পাদনা: রহমান
বিশেষ অলিম্পিকে স্বর্ণ জিতলেন বাংলাদেশী ৪ প্রতিবন্ধী শিশু
চারজনের কারোরই বাক ও শ্রবণশক্তি নেই। তার ওপর তাদের সবাই বুদ্ধি প্রতিবন্ধীও। জন্মগতভাবেই অন্য সব স্বাভাবিক মানুষের মতো জ্ঞান-বুদ্ধি নেই তাদের। যা তাদের পরিচিতি দিয়েছে অটিস্টিক বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু হিসেবে। তবে এই চার মেয়ের স্নায়বিক শক্তি প্রচন্ড। শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধকতার কারণে এসব শিশুরা গ্রাম্য সামাজিক ব্যবস্থায় অনেকটা ‘অচ্ছুৎ’। কিন্তু তারাই এবার স্পেশাল অলিম্পিকে দেশকে এনে দিলেন স্বর্ণপদক।
বলা হচ্ছে- মৌলভীবাজারের মাহিমা আক্তার, তানিয়া আক্তার সুমাইয়া, রিয়া রানী দাশ ও মহিমা খাতুন মীমের কথা। জার্মানির বার্লিনে অনুষ্ঠিত স্পেশাল অলিম্পিকের তিনটি ইভেন্টে নিজেদের অসাধারণ নৈপুণ্য দেখিয়েছেন তারা। যার মাধ্যমে লাল-সবুজ পতাকা উড়িয়ে দু’হাত ভরে সাফল্য নিয়ে এসেছেন।
মেয়েদের এফ ওয়ান ফ্রিস্টাইলে দলীয়ভাবে স্বর্ণ জেতেন মাহিমা আক্তার এবং তিন সহযোগী প্রতিযোগী। সুমাইয়া স্বর্ণ জিতেছেন ১০০ মিটার দৌড়ে। এছাড়া থ্রি-সেভেন এ সাইড ফুটবলের ফাইনালে শক্তিশালী ইসরায়েলকে হারায় বাংলাদেশ। স্বর্ণজয়ী সেই দলে ছিলেন জেলার দুই প্রতিযোগী রিয়া রানী ও মহিমা খাতুন।
গত ১৭-২৫ জুন পর্যন্ত বার্লিনে অনুষ্ঠিত এই অলিম্পিকে বাংলাদেশ থেকে ৭৯ জন খেলোয়াড় অংশ নেন। তাদের মধ্যে ছিলেন মৌলভীবাজারের চার অ্যাথলেট। সম্প্রতি তাদের এমন সাফল্যের জন্য স্কুলের পক্ষ থেকে সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। চারজনই স্কুলটির ভোকেশনাল শাখার শিক্ষার্থী।
প্রতিবেদন : আফরিন মিম
সম্পাদনা: শান্তা মারিয়া
চলে গেলেন কবি বুলবুল মহলানবীশ
আকাশ ছুঁতে চাই অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে চলে এসেছি। যাবার আগে একটি শোকবার্তা।
বাংলাদেশের বিশিষ্ট কবি, সংগীতশিল্পী, স্বাধীন বাংলাবেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিক বুলবুল মহলানবীশ ১৪ জুলাই মৃত্যুবরণ করেছেন। বুলবুল মহলানবীশ একাধারে কবি ও লেখক সংগীত, নাট্য ও আবৃত্তিশিল্পী হিসেবেও খ্যাতি লাভ করেছিলেন। পাশাপাশি তিনি টেলিশন-বেতার-মঞ্চে শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করতেন।
আকাশ ছুঁতে চাই অনুষ্ঠানের একটি বিশেষ পর্বে তিনি স্টুডিওতে এসে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার স্মৃতিচারণ করেছিলেন। এই গুণী ব্যক্তিত্বের প্রয়াণে অনুষ্ঠানের পক্ষ থেকে নিবেদন করছি শোক ও শ্রদ্ধাঞ্জলি।
সুপ্রিয় শ্রোতা আকাশ ছুঁতে চাই অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে পৌছে গেছি আমরা।
অনুষ্ঠানটি কেমন লাগছে সে বিষয়ে জানাতে পারেন আমাদের কাছে। আপনাদের যে কোন পরামর্শ, মতামত সাদরে গৃহীত হবে। আপনাদের কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছি আমি শান্তা মারিয়া। আবার কথা হবে আগামি সপ্তাহে। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। চাই চিয়েন।
সার্বিক সম্পাদনা : ইয়ু কুয়াং ইউয়ে আনন্দী
লেখা, গ্রন্থনা ও উপস্থাপনা: শান্তা মারিয়া,
অডিও এডিটিং: রফিক বিপুল