আকাশ ছুঁতে চাই ১৮
চীনের তাইওয়ানের তরুণী লিন ছিয়াছেন। সংগীত শিল্পী তিনি। তার জীবনসঙ্গী ছাং ছিয়া হাও।
এই দুজন তাদের সঙ্গীতময় জীবন গড়ে নিয়েছেন ফুচিয়ান প্রদেশের ফুচৌ শহরে। তারা থাকেন ফুচৌ শহরের ফুচৌ চিনশান পার্কের একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে। তিন বেডরুম ও একটি লিভিং রুম নিয়ে তাদের ভাড়া করা অ্যাপার্টমেন্ট। এই বাসাকে তারা বলেন ভালোবাসার নীড় বা নেস্ট অব রোমান্স। এখানেই তাদের বসবাস পাশাপাশি সংগীত স্টুডিও ।
তাদের জীবনের গল্পটা দারুণ সুন্দর। তাইওয়ানের খাওসিউং এর ভায়োলিনশিল্পী তরুণী লিন। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংগীতে মাস্টার্স করে সংগীত শিক্ষিকার চাকরি করছিলেন। মাঝে মাঝে তিনি বিদেশেও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিতেন। ২০১৯ সালে তিনি কম্বোডিয়ায় একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সেখানেই তার পরিচয় ঘটে তরুণ শিল্পী ছাং এর সঙ্গে। তিনিও এসেছেন তাইওয়ান থেকে। বিভিন্ন ব্যান্ডে গিটার বাজান ছাং। পরিচয় জমে ওঠে। ২০২১ সালের এপ্রিলে তারা বিয়ে করেন। কোভিড ১৯ প্যানডেমিকের আগে এশিয়ার বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠানে অংশ নেন ছাং। তখন তাইওয়ানে ছাং বেশ নাম করেছেন। বেস গিটারিস্ট হিসেবে পুরস্কারও পেয়েছেন। তিনি ফুচৌতে একটা ভালো সুযোগ পেয়ে চলে আসেন। তিনি এখানে একটা শিক্ষা গ্রুপে সংগীত শিক্ষক হিসেবে কাজ করা শুরু করেন। লিন তার সিদ্ধান্তকে সমর্থন দেন।
ছাং একটু গুছিয়ে বসতেই লিন চলে আসেন তার কাছে ফুচৌতে। তিনি এখানে একটি অর্কেস্ট্রা দলে যোগ দেন। লিন মনে করেন মূল ভূখন্ডে কাজ করার অনেক সুযোগ রয়েছে। তাইওয়ান প্রণালীর দুই তীরে একই পরিবার রয়েছে বলে তারা মনে করেন। লিন আরও মনে করেন চীনের মূল ভূখন্ড ও তাইওয়ানের তরুণ তরুণীদের মধ্যে যোগাযোগ দিনে দিনে আরও বেশি বাড়ছে। তারা একই চীনদেশের নাগরিক হিসেবে নিজেদের সুন্দর জীবন গড়ে নিচ্ছেন।
প্রতিবেদন: শান্তা মারিয়া
সম্পাদনা: রহমান
সুপ্রিয় শ্রোতা আকাশ ছুঁতে চাই অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে পৌছে গেছি আমরা।
অনুষ্ঠানটি কেমন লাগছে সে বিষয়ে জানাতে পারেন আমাদের কাছে। আপনাদের যে কোন পরামর্শ, মতামত সাদরে গৃহীত হবে। আপনাদের কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছি আমি শান্তা মারিয়া। আবার কথা হবে আগামি সপ্তাহে। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। চাই চিয়েন।
সার্বিক সম্পাদনা : ইয়ু কুয়াং ইউয়ে আনন্দী
লেখা, গ্রন্থনা ও উপস্থাপনা: শান্তা মারিয়া,
অডিও এডিটিং: রফিক বিপুল