আকাশ ছুঁতে চাই ১৮
একহাত নিয়ে পুরনো চাকরিটা করা সম্ভব ছিল না। নিজের একটা রেস্টুরেন্ট দেন তিনি। মোটামুটি এক দশক সময়ে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে ব্যবসায় সাফল্য এলেও একটা কষ্ট মনের ভিতর রয়েই গিয়েছিল। আগে যে চলাফেরায় আনন্দ ছিল, স্বাধীনভাবে স্বচ্ছন্দে সব কাজ করতে পারতেন সেটা পারছেন না বলে আক্ষেপা ছিল।
তিনি একটি ননফাংশনাল প্রসথেটিক হ্যান্ড কেনেন। কিন্তু সেটা দিয়ে ভালো কাজ হচ্ছিল না। গরমের মধ্যে ওটা পরে থাকাও বেশ সমস্যার ছিল।
এরপর প্রকৌশল বিজ্ঞানী হু সুহুইয়ের সঙ্গে আলাপ হয় তার। সুচৌ ইন্সটিটিউটে যাওয়া শুরু করেন তিনি। হু তার জন্য বিশেষ একটি রোবোটিক হাত তৈরি করেন। সুয়ের কথা, তার প্রয়োজন ও সুবিধা অসুবিধা অনুযায়ী হাতটিকে নানা রকমভাবে পরিবর্তন করেন হু এবং তার দল।
ধীরে ধীরে সু তার নতুন রোবোটিক হাত ব্যবহার করতে অভ্যস্ত হয়ে ওঠেন। এরপর সু এবং হু ঠিক করেন সাইবাথলনে অংশ নিবেন। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হয় দুজনকে। সুইডেন, ফ্রান্স স্পেন, ইন্দোনেশিয়া, ইতালির সঙ্গে কঠিন প্রতিযোগিতা হয়।
প্রতিযোগিতায় সুকে রোবোটিক হাত দিয়ে চারটি ভারি বোতল একসঙ্গে তুলে বাস্কেটে রাখতে হয়। আবার ছোট্ট ছোট্ট পুতি তুলে নির্দিষ্ট স্থানে রাখতে হয়। এসবই করতে হয় খুব অল্প সময়ের মধ্যে।
সু যখন চ্যাম্পিয়ন তখন তখন শুধু তিনি নন, গোটা চায়নিজ টিম আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে ওঠে। সু কখনও ভাবেননি তিনি বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হবেন, সাইবাথলন জয় করবেন।
এখন তার নিজের উপর বিশ্বাস অনেক বেড়েছে। এই রোবোটিক হাত দিয়েই জীবন যুদ্ধের জয় পতাকা ধরে এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
প্রতিবেদন : শান্তা মারিয়া
শিশুর জন্য চিকিৎসা সেবা
জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত শিশুরা পাচ্ছে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা। বিশেষ এই উদ্যোগ নিয়েছে চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তিব্বত। যেখান থেকে ইতিমধ্যেই সেবা পেয়েছেন বেশ কয়েক জন শিশু। আর শিশুদের চিকিৎসা সেবা দিতে স্থানীয় চিকিৎসকের পাশাপাশি সাংহাই ও ফুচিয়ান প্রদেশ থেকেও আসছেন ডাক্তার। ফুচিয়ান প্রদেশে চলছে এই চিকিৎসা সেবা। এখানে তিব্বতের শিশুরা চিকিৎসার সুযোগ পাচ্ছে।