আকাশ ছুঁতে চাই ১৭
এরপর ২০১৩ সালের শেষের দিকে মায়ের মানসিক অবসাদ কাটাতে লির ছেলে কিনে দেন একটি সাইকেল। ছেলের উপহার পেয়ে লি চালিয়ে যান চেষ্টা।
এরপর থেকেই প্রতিদিন সাইকেল চালাতে শুরু করেন এই নারী। প্রথমদিকে বাড়ির চারপাশে সাইকেল চালাতেন । কিন্তু কয়েক দিনের অনুশীলনের পরে, তিনি শহরতলীর বিভিন্ন জায়গায় ঘোরেন।
লি তংচু বলেন, "ধীরে ধীরে, সাইকেল চালানোর আনন্দ আমাকে শারীরিক এবং মানসিকভাবে স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করেছে," এর ফলে আমি অন্যান্য সাইক্লিং উত্সাহীদের সাথেও বন্ধুত্ব করেছি।"
এরপর লি দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার জন্য পেশাদার গিয়ার কিনলেন । শুরু করলেন ভ্রমণ। দেশের ভেতরের বিভিন্ন প্রদেশ, শহর যেমন উইগুর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল সিনচিয়াং , তিব্বত, কুয়াংসি চুয়াং , ছিংহাই, হাইনান, কুয়াংতং , হুবেই এবং চিয়াংসু প্রদেশ , সেইসাথে দেশের বাইরে যেমন ফ্রান্স, থাইল্যান্ড এবং নিউজিল্যান্ডসহ বিশ্বের ১২টি দেশ ঘুরেছেন তিনি।
লি বলেন, "প্রথমে, আমার ছেলে এবং পুত্রবধূ আমার বয়স এবং নিরাপত্তার জন্য আমাকে এভাবে ঘুরতে দিতে রাজি হন নি। কিন্তু তারা খুব তাড়াতাড়ি বুঝতে পেরেছিলো যে আমি আমার সিদ্ধান্তে অটল। তাই তারা আমাকে পরবর্তীতে সমর্থন দিয়েছে’।
ইচ্ছা আর আত্মবিশ্বাস অনেকদূর নিয়ে এসেছে লি তংচুকে। নিজের মানসিক স্বাস্থের উন্নতির জন্য তার এই চেষ্টা অনুপ্রেরণা দিয়েছে অনেকে নারী ও পুরুষকে।
প্রতিবেদন ও কণ্ঠ: আফরিন মিম
সম্পাদনা: শান্তা মারিয়া
শিশু নাট্যদলে নারীর নেতৃত্ব
শিশুদের প্রতিভা ও সৃজনশীলতা বিকাশে গড়ে তোলা হয়েছে একটি নাট্যদল। এই নাট্যদলে নেতৃত্ব দিচ্ছেন একজন নারী। তার নাম চাও সং। কেন গড়ে তোলা হয়েছে শিশু নাট্যদল এবং কিভাবে তা শিশুদের প্রতিভার বিকাশ ঘটাচ্ছে চলুন শোনা যাক একটি প্রতিবেদনে।
মঞ্চে অভিনয় করছে একদল শিশু কিশোর। তারা একটি সায়েন্স ফিকশন ধাঁচের কাহিনীর প্রেক্ষাপটে চীনের ঐতিহ্য তুলে ধরছে। সময় পরিভ্রমণ করে তারা পৌছে যায় মিং রাজবংশের আমলে। সেখানে চীনা চিকিৎসা বিজ্ঞানের সূত্রগুলো লিপিবদ্ধ হচ্ছে এমন একটা সময়কে তুলে ধরা হয়।