আকাশ ছুঁতে চাই ১৫
১. চীনে সার্জনের পেশায় এগিয়ে আসছেন নারীরা
২. গ্রামাঞ্চলে বিনোদন পৌঁছে দিচ্ছেন নারী প্রজেকশনিস্ট দল
নারী ও শিশু বিষয়ক অনুষ্ঠান আকাশ ছুঁতে চাই থেকে সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি আমি শান্তা মারিয়া। আমাদের অনুষ্ঠানে আমরা কথা বলি নারীর অগ্রযাত্রা, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ, সাফল্য, সংকট সম্ভাবনা নিয়ে। আমরা কথা বলি সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানুষের অধিকার নিয়ে।
চীনে সার্জনের পেশায় এগিয়ে আসছেন নারীরা
নারীরা অনেক বছর ধরে চিকিৎসা পেশায় থাকলেও সার্জেন হিসেবে কাজ করছেন এমন নারীর সংখ্যা এখনও অনেক কম। তবে দিনের পরিবর্তন হচ্ছে। পুরুষ প্রাধান্যের এই পেশাতেও এগিয়ে যাচ্ছেন নারীরা।
নারীরা চিকিৎসা পেশায় আছেন শতাধিক বছর ধরেই। কিন্তু সার্জন শুনলে এখনও পুরুষদের কথাই প্রথমে মনে আসে। কারণ সার্জনের পেশায় পুরুষের সংখ্যাই বেশি। তবে এই ধারণা পালটে দিচ্ছেন এই পেশায় এগিয়ে আসা নারীরা। খুয়াং চিয়ে একজন নারী সার্জন। শাংহাইয়ের একটি বিখ্যাত চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান রুইচিন হসপিটালের চিফ থায়রয়েড সার্ন তিনি। ২৫ বছর আগে যখন এখানে যোগ দেন তখন তিনি ছিলেন সাধারণ সার্জারি বিভাগের একমাত্র নারী।
তিনি জানান, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই পেশায় নারীদের সংখ্যা বাড়ছে। নিউরোসার্জারি এবং অর্থোপেডিকসের মতো মেলডমিনেটেড বা পুরুষশাসিত শাখাতেও নারীদের পদচারণা বাড়ছে।
অনেক বছর ধরেই রুইচিন হাসপাতালের প্রতি দশ সার্জেনের একজন নারী। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এ অনুপাত ক্রমশ বাড়ছে।
চায়নিজ মেডিকেল ডকটর অ্যসোসিয়েশন এর সার্জিকাল শাখা ২০১৯ সালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানায় দেশজুড়ে সার্জেনদের মধ্যে নারীর সংখ্যা ৬ শতাংশ।
খুয়াং জানান একসময় মনে করা হতো সার্জারির জন্য যে মানসিক ও শারীরিক চাপ নিতে হয় সেটা নারীর জন্য কঠিন। কিন্তু তিনি মনে করেন এখানে নারী পুরুষ কোন বিভেদ নেই। সকলের জন্যই ঘন্টার পর ঘন্টা দীর্ঘ সার্জারির চাপ নেয়াটা কঠিন। পুরুষও ক্লান্ত হয়, নারীও। পুরুষও এই চাপ বহন করতে পারেন, নারীও পারেন। তিনি বলেন, ‘একজন পুরুষ, ঠিক নারী সার্জেনের মতোই দীর্ঘ সার্জারির পর ক্লান্ত হয়ে পড়তে পারেন। এখানে কোন জেন্ডার ভেদ আছে বলে আমি মনে করি না।’