আকাশ ছুঁতে চাই ১০
নিংশিয়ায় অবস্থিত এই কারখানায় কাজ করছে প্রায় শতাধিক শ্রমিক। আর যাদের মধ্যে বেশির ভাগই নারী। আর কারখানার এসব নারী শ্রমিকরা পরিবার ও কারখানা সামলাচ্ছে সমানতালে বলছেন প্রথম থেকেই কারখানায় কাজ করা করা চাং খাই খাই । তিনি বলেন, "এই চাকরি পাওয়ার পর স্বামীর থেকে কোন টাকা নিতে হয় না। বাড়ির কাছে হওয়ায় আমি পরিবারের যত্নও নিতে পারছি আবার কাজ করতে পারছি সময় মতো”।
গেল কয়েক বছরের মহামারীতে অন্যান্য কারখানার মতো খুব বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়নি কারখানাটি। জানা যায়, এই কারখানার বার্ষিক উৎপাদন বেড়েছে ৬ মিলিয়ন ইউয়ান। আরও উৎপাদন বাড়াতে চলতি বছরের শেষ নাগাদ আরও ২০০জনকে নিয়োগের লক্ষ্য রেখেছেন কারখানা কর্তৃপক্ষ।
একসময়ের দারিদ্র্যপীড়িত এই গ্রাম কারখানা চালু হওয়ার পর থেকেই দরিদ্র গ্রামের তালিকা থেকে হয়েছে মুক্ত।
সুপ্রিয় শ্রোতা আকাশ ছুঁতে চাই অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে পৌছে গেছি আমরা।
অনুষ্ঠানটি কেমন লাগছে সে বিষয়ে জানাতে পারেন আমাদের কাছে। আপনাদের যে কোন পরামর্শ, মতামত সাদরে গৃহীত হবে। আপনাদের কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছি আমি শান্তা মারিয়া। আবার কথা হবে আগামি সপ্তাহে। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। চাই চিয়েন।
সার্বিক সম্পাদনা : ইয়ু কুয়াং ইউয়ে আনন্দী
লেখা, গ্রন্থনা ও উপস্থাপনা: শান্তা মারিয়া
অডিও এডিটিং: রফিক বিপুল