আকাশ ছুঁতে চাই ১০
লি তুলে ধরেন তার এলাকার জীবনমান উন্নয়নের চিত্র। আগে যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল বেশ সমস্যাযুক্ত। দুর্গম এলাকাগুলোতে যাওয়াই যেত না। এখন পরিবহন ব্যবস্থা অনেক উন্নত হয়েছে। গ্রামীণ জনগোষ্ঠী তাদের উৎপাদিত পণ্য বাজারে পৌঁছাতে পারছেন সহজে। ২০১৩ সালের আগে গ্রামের বেশিরভাগ দরিদ্র মানুষ টালির ছাদ দেয়া কুঁড়েঘরে বাস করতেন। ঘরে হাঁস মুরগি গবাদি পশু থাকতো। তারই উপরে মাচা বেঁধে থাকতো কৃষক ও পশুপালক পরিবার। তিনি নিজেও এমনি একটি পরিবারেই বড় হয়েছেন। এখন কিন্তু অবস্থা অনেকটাই অন্যরকম। এখন গ্রামের ছোট ছোট ভিলা বা বাড়িতে কৃষক ও পশুপালকরা বাস করেন। স্যানিটারি টয়লেট আছে প্রতিটি বাড়িতে। গ্রামের এই ছোট ছোট বাড়িগুলো বেশ সুন্দর ও আরামদায়ক।
মানুষের জীবনমান ও খাদ্য পুষ্টিতেও অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন হয়েছে।
কংগ্রেসে যোগ দেয়ার আগে লি বাড়ি বাড়ি ঘুরে মানুষের মতামত সংগ্রহ করেছেন। কংগ্রেসে এই নারী হয়ে উঠেছেন তার এলাকার মানুষের কণ্ঠস্বর।
চীনের শীর্ষ দশ ব্যবসায়ী নারী
চীনের নারীরা উদ্যোক্তা হিসেবে দেশ গঠনে অনেক বড় ভূমিকা রাখছেন। চীনের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের মধ্যে অনেকেই নারী। চলুন শোনা যাক তাদের কথা।
অতীতে এমন একটি ধারণা ছিল যে নারীরা ব্যবসা বোঝেন না। কিন্তু সেসব ধারণা অনেক আগেই ভুল প্রমাণিত হয়েছে। বিশ্বের অনেক বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শক্ত হাতে চালাচ্ছেন নারীরা। চীনের ছোট বড় অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেরই প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী নারী। ফোর্বস চায়না সম্প্রতি চীনের সেরা ব্যবসায়ী নারীদের একটি তালিকা দিয়েছে। চলুন দেখা যাক, চীনের সেরা ব্যবসায়ী নারী কারা।
তালিকার শীর্ষস্থানে আছেন ওয়াং লাইচুন। তিনি লাক্সশেয়ার প্রিসিশন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারওম্যান। এই প্রতিষ্ঠান ইলেকট্রনিক কমপোনেন্ট তৈরি করে। দ্বিতীয় স্থানে আছেন ডং মিংচু। তিনি গ্রি ইলেকট্রিক অ্যাপলায়েন্স প্রতিষ্ঠানের চেয়ার ওম্যান। তৃতীয় স্থানে আছেন চাও নিং। তিনি উসিঅ্যাপ টেক কোম্পানি লিমিটেডের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং সহপ্রতিষ্ঠাতা। চতুর্থস্থানে আছেন মংওয়ানচৌ। তিনি হুয়াওয়েই কোম্পানির ডেপুটি চেয়ারওম্যান এবং সিএফও। বর্তমানে তিনি হুয়াওয়েইর রোটেটিং চেয়ারওম্যান। পঞ্চমস্থানে আছেন টিকটকের সিইও চাং নান।