আকাশ ছুঁতে চাই ৭
বসন্ত শুরুর সাথে সাথে চারা উৎপাদনে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন নারী কৃষি উদ্যোক্তা চাং শাশা।
৩৩ বছর বয়সী চাং শাশা উত্তর চীনের হ্যপেই প্রদেশের সানিং শহরের বাসিন্দা । স্বামীকে সাথে নিয়ে ২০১৫ সালে শুরু করেন সবজির ব্যবসা।
নিজেদের গ্রিনহাউজের বেশিরভাগ কাজ নিজে করতে পছন্দ করেন চাং শাশা। দিনের বেশিরভাগ সময়টা এই গ্রিনহাউজেই কেটে যায় তার। গ্রীনহাউজে চারাগুলোরিউৎপাদন থেকে শুরু করে ক্ষেতে রোপণ করা পর্যন্ত, সবজি শিল্পের সব ধরনের কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেছেন চাং শাশা। আর এভাবেই এ খাতের একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তি হয়ে উঠেছেন তিনি।
চাং শাশা নিজ শহর সানিং কাউন্টিতে এখন পরিচালনা করছেন বিশেষ সমবায়। ২০২১ সালে অল-চীন উইমেনস ফেডারেশন এবং চীনের কৃষি ও গ্রামীণ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে পান নারী কৃষি উদ্যোক্তা হিসাবে বিশেষ স্বীকৃতি।
চাং শাশার এমন কৃষি উদ্যোগ অনুপ্রাণিত করেছে স্থানীয় অনেক নারীকে। নারীদের পাশাপাশি পুরুষরাও এখন কাজ করছেন তার এই বিশেষায়িত সবজি সমবায়ে। জানা যায় বর্তমানে চাংয়ের সবজির জন্য বিশেষায়িত সমবায়ে কাজ করছেন ছয়শ’রও বেশি মানুষ। আর এখানে সারা বছর ৭০টিরও বেশি জাতের সবজি ও ফলের চাষ হয়।
কৃষিকে মূল পেশা হিসেবে নিয়ে সামনে দিকে এগিয়ে যেতে চান এই কৃষি উদ্যোক্তা ।
জন্মহার বাড়াতে কর্মজীবী নারীর জন্য সুবিধা বৃদ্ধি
চীনে গত ছয় দশকের মধ্যে এই প্রথমবারের মতো জন্মহার কমতির দিকে। অনেক সময় কর্মজীবী নারী একাধিক সন্তান জন্ম দিতে চান না শিশুকে কোথায় কার কাছে রেখে যাবেন সে চিন্তায়। জন্মহার বাড়াতে সম্প্রতি বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে চীনের শহরগুলো। এইসব উদ্যোগের ফলে কর্মজীবী মায়ের দুঃশ্চিন্তা অনেকটাই কমেছে। চলুন শোনা যাক এ বিষয়ে আমার তৈরি একটি প্রতিবেদন। বলছেন রওজায়ে জাবিদা ঐশী।