আকাশ ছুঁতে চাই ৭
২০১৯ সালে ছয়জন নারী রেঞ্জারের এই দল এই সংরক্ষিত অরণ্য অঞ্চলে কাজ শুরু করে। ৬.৫ কিলোমিটার পেট্রোল রুট ধরে নারী রেঞ্জরদের দল টহল দেয়ার সময় অনেকবার অনেক রকম প্রতিকূলতা পার হয়েছেন। প্রাণীদের জন্য পাতা ফাঁদগুলো খুঁজে বের করে তার অপসারণ, পায়ের ছাপ খোঁজা এবং বিপদে পড়া বন্যপ্রাণীদের উদ্ধার করা তাদের কর্তব্য। এই কাজ করার সময় শুধু প্রচণ্ড ঠান্ডা ও তুষারই নয় বন্যপ্রাণী দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার ভয়ও আছে।
এই দলের এক সদস্য চাং সিন বলেন, ‘একবার গরমকালে আমরা টহল দেয়ার সময় ভীমরুলের ঝাঁকের কবলে পড়ি। ভীমরুলের হুলের আঘাত ছিল মারাত্মক। অনেক কষ্টে প্রাণ বাঁচিয়েছিলাম সেদিন।’
স্থানীয় ফরেস্ট্রি স্টেশনের ডেপুটি হেড লি কাং বলেন, ‘এই নারী রেঞ্জারদের দল অত্যন্ত দক্ষ। তারা সেরা তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করেছে। ‘
এই দলের একজন নারী সদস্য সু। ৩৩ বছর বয়সী সু এক ছেলে সন্তানের মা। সু বলেন, ‘আমি ছেলেকে আমার অরণ্য রক্ষা কাজের গল্প বলি। ও খুব পছন্দ করে।’
এই অরণ্যরক্ষী নারী দলের অনেকেই এসেছেন এমন পরিবার থেকে যারা কয়েক প্রজন্ম ধরে এই অরণ্যভূমিতে বাস করছেন। তারা তাদের পূর্ব প্রজন্মের কাছ থেকেই অরণ্য সম্বন্ধে অনেক শিক্ষা পেয়েছেন। শৈশব থেকেই তারা এই পরিবেশে অভ্যস্ত। এখন এই অরণ্যভূমিকে রক্ষার দায়িত্ব পালন করে চলছেন এই সাহসী নারী রেঞ্জারের দল।
কৃষি উদ্যোক্তা নারী চাংশাশা
দিন যত যাচ্ছে সব ধরনের পেশায় আসছেন নারীরা। চীনের মত বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে কৃষি অর্থনীতে নারীর ভূমিকা বাড়ছেই। চীনজুড়ে রয়েছে কোটি নারী কৃষি উদ্যোক্তা। তারমধ্যে হ্যপেই প্রদেশের চাং শাশা অন্যতম। যিনি বিয়ের পর নিজ উদ্যোগে শুরু করেন চারা রোপ্ণের কাজ। ছোট চারা রোপণের খামার ধীরে ধীরে আজ পরিণত হয়েছে বড় খামারে। যেখানে কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে প্রায় হাজারো শ্রমিকের। সুপ্রিয় শ্রোতা আফরিন মিমের প্রতিবেদনে চলুন জেনে নেই চাং শাশার কৃষি উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্প।