আকাশ ছুঁতে চাই ৭
১. তারা দুঃসাহসী নারী
২. কৃষি উদ্যোক্তা নারী চাংশাশা
৩. জন্মহার বাড়াতে কর্মজীবী নারীর জন্য সুবিধা বৃদ্ধি
নারী ও শিশু বিষয়ক অনুষ্ঠান আকাশ ছুঁতে চাই থেকে সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি আমি শান্তা মারিয়া। আমাদের অনুষ্ঠানে আমরা কথা বলি নারীর অগ্রযাত্রা, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ, সাফল্য, সংকট সম্ভাবনা নিয়ে। আমরা কথা বলি সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানুষের অধিকার নিয়ে।
তারা দুঃসাহসী নারী
ওসি: নারীরা আজ অংশগ্রহণ করছেন বিভিন্ন দুঃসাহসিক পেশায়। যেমন অরণ্যরক্ষী বা রেঞ্জারের মতো পেশা। এই পেশার কথা শুনলে প্রথমেই মনে হয় এটি পুরুষের পেশা। কিন্তু এই পেশাতেও এগিয়ে এসেছেন নারীরা। চীনের হেইলুংচিয়াং প্রদেশের অরণ্যে রেঞ্জারের পেশায় রয়েছেন একদল নারী। চলুন শোনা যাক তাদের কথা আমার তৈরি একটি প্রতিবেদনে।
অরণ্য রক্ষী বা ফরেস্ট রেঞ্জার শুনলে প্রথমে পুরুষদের কথাই মনে আসে। কিন্তু নর্থইস্ট চায়না টাইগার অ্যান্ড লিওপার্ড ন্যাশনাল পার্কে নারী সদস্যদের নিয়ে গঠিত একটি অরণ্যরক্ষী দল সাহস ও যোগ্যতার সঙ্গে কাজ করে চলেছে।
শূন্যের চেয়ে তাপমাত্রা যখন ২০ ডিগ্রিরও নিচে নেমে যায় তখনও কিন্তু এই নারী রেঞ্জাররা নিরাপদ আশ্রয়ে বসে থাকেন না। তাদের দায়িত্বে আছে ন্যাশনাল পার্কের ২৩ হাজার হেক্টর জায়গা , যেখানে রয়েছে ৫০টিরও বেশি আমুর টাইগার এবং পাঁচশ’র বেশি বাঘজাতীয় প্রাণী। আমুর টাইগার হলো বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বিপন্ন প্রাণীগুলোর অন্যতম।
বাঘজাতীয় প্রাণীদের সুরক্ষা ও ইকোসিস্টেম পুনরুদ্ধারের জন্য উত্তরপূর্ব চীনের চিলিন ও হেইলুংচিয়াং প্রদেশের সীমান্তজুড়ে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ‘নর্থইস্ট চায়না টাইগার অ্যান্ড লিওপার্ডন্যাশনাল পার্ক। ১৪ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকা নিয়ে চীন সরকার এই পার্ক গড়ে তুলেছে।