আকাশ ছুঁতে চাই ১০৬
আকাশ ছুঁতে চাই ১০৬
১. নতুন বছরে নতুন প্রত্যাশা
২. বাংলাদেশ ও চীনের নারী: ফিরে দেখা ২০২২
৩. গান: শীতকালীন উৎসব
৪. মাশরুম চাষে সাবলম্বী মনপুরা দ্বীপের জান্নাত
চীন আন্তর্জাতিক বেতারের ঢাকা স্টেশন থেকে প্রচারিত আকাশ ছুঁতে চাই অনুষ্ঠানে সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি আমি শান্তা মারিয়া। কেমন আছেন আপনারা? আশাকরি ভালো আছেন।
নতুন বছরে নতুন প্রত্যাশা
শেষ হয়ে এলো ২০২২ সাল। নতুন বছরে নতুন প্রত্যাশা নিয়ে পথ চলবে চীন আন্তর্জাতিক বেতারের ঢাকা স্টেশন এবং আকাশ ছুঁতে চাই অনুষ্ঠান। সম্প্রতি আয়োজিত হয়েছিল সিএমজি বেতার দিবস। এ দিনের উদযাপনে আমাদের অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে এসেছিলেন অনেক বিশিষ্টজন। চলুন শুনে আসি তাদের কয়েকজনের কথা। জানাচ্ছেন রওজায়ে জাবিদা ঐশী।
২৪ ডিসেম্বর ছিলো সিএমজি বেতার দিবস। চায়না মিডিয়া গ্রুপ সিএমজির বাংলা বিভাগের ঢাকা স্টেশনের দুই বছরপূর্তি ছিলো সেদিন। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেন বাংলাদেশের রেডিওসহ বিভিন্ন পর্যায়ের গণমাধ্যমের কর্মীরা। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যুরোর সুদূরপ্রসারী কার্যক্রম ও নির্মিত রেডিও অনুষ্ঠানগুলোর পরিচিতি তুলে ধরা হয়।
এসময় চীন আন্তর্জাতিক বেতারের নারী বিষয়ক অনুষ্ঠান আকাশ ছুঁতে চাইয়ের প্রশংসা করে নারীর পথচলাকে সামনে এগিয়ে নিতে আরো ভালো কাজের প্রত্যাশার কথা জানান নারী উদ্যোক্তা তানিয়া ওয়াহাব।
দুই দেশের সম্পর্কের গভীরতা নিয়ে অভিমত ব্যক্ত করেন বাংলাদেশ বেতারের সাবেক মহাপরিচালক হোসনে আরা তালুকদার। নারীদের সমস্যা সম্ভাবনা সফলতা তুলে ধরার মাধ্যমে আরো তাদের অগ্রসর করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।
চীন ও বাংলাদেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করতে আরো কৌশলী হয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী গুণিজনরা।
বাংলাদেশ ও চীনের নারী: ফিরে দেখা ২০২২
আর ক’দিন পরে বিদায় নিচ্ছে ২০২২ সাল। বছরটি কেমন ছিল বাংলাদেশী ও চীনা নারীদের জন্য? চলুন শুনে আসি একটি প্রতিবেদনে।
বাংলাদেশের নারীর জন্য বছরটি ছিল একাধারে সাফল্য ও সম্ভাবনাময়। পাশাপাশি নারীর অগ্রযাত্রার পথে বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতাও ছিল। বিদায়ী বছরে বাংলাদেশের নারীদের জন্য সবচেয়ে আনন্দের ঘটনা ছিল বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়।
সেপ্টেম্বরে নেপালের কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলায় স্বাগতিক নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয় করে দেশকে গৌরব এনে দেন নারী ফুটবলাররা। বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের এই ঐতিহাসিক বিজয়ে আনন্দে ভাসে দেশের সর্বস্তরের মানুষ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বিশেষভাবে সম্মানিত করেন নারী ফুটবল দলকে।