আকাশ ছুঁতে চাই ৭২
কী থাকছে এবারের পর্বে
১. পরিবারের সবাইকে নিয়েই ঈদ উদযাপন করতে হবে- দিলারা মেসবাহ
২. বয়স কোন বাধা নয়
৩. গান হুই নারী: শিল্পী হা হুই
৪. সিনচিয়াংয়ের অভিনয়শিল্পী আমাতজান
চীন আন্তর্জাতিক বেতারের ঢাকা স্টেশন থেকে প্রচারিত আকাশ ছুঁতে চাই অনুষ্ঠানে সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি আমি শান্তা মারিয়া।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই শ্রোতাদের জানাই ঈদের শুভেচ্ছা। করোনা মহামারীর ভয় ভীতি অতিক্রম করে এবারের ঈদে পরিবারের সঙ্গে আনন্দময় সময় কাটিয়েছেন অনেকেই। সেকাল ও একালের ঈদ উদযাপন নিয়ে আজ আমরা কথা বলবো বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট ও প্রবীণ সাহিত্যিক দিলারা মেসবাহর সঙ্গে। দিলারা মেসবাহ সমকালীন বাংলা কথাসাহিত্যের এক বিশিষ্ট নাম। দীর্ঘ চার দশক ধরে তিনি গল্প উপন্যাস ও কবিতা লিখছেন। পেয়েছেন অনেক সম্মাননা।
দিলারা মেসবাহর জন্ম ২৮ আগস্ট, ১৯৫০ সালে পাবনার বিখ্যাত লোহানী পরিবারে। পিতা তাসাদ্দুক হোসেন লোহানী ছিলেন শিক্ষাবিদ ও খ্যাতিমান সাহিত্যিক।
দিলারা মেসবাহর কাছ থেকে আজ আমরা শুনবো নারীর জীবনে ঈদ উদযাপন নিয়ে কিছু কথা। আমাদের অনুষ্ঠানে তাঁকে স্বাগত জানাই।
পরিবারের সবাইকে নিয়েই ঈদ উদযাপন করতে হবে- দিলারা মেসবাহ
সাক্ষাৎকার
সাহিত্যিক দিলারা মেসবাহ সেকালের ঈদ উদযাপনের স্মৃতিচারণ করেন। শৈশবে খাওয়া মায়ের হাতের রান্নার কথা এখনও ভুলতে পারেন না তিনি। বিশেষ করে দুধ-সেমাই খাওয়ার স্মৃতি অম্লান তার কাছে। মায়ের মমতার কারণেই হয়তো ঈদের রান্না এমন সুস্বাদু হতো বলে মনে করেন। বিয়ের পর তিনি পুরান ঢাকায় অনেকদিন বাস করেছেন। তখন পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ঈদ উদযাপন দেখেছেন। শ্বশুরবাড়িতে ঈদ উদযাপনের স্মৃতি প্রসঙ্গে সারাদিন রান্নাঘরে কাটানোর কথাও বলেন। উৎসবের দিনে বাড়ির মেয়ে-বউদের উপর দায়িত্ব ছিল মজাদার সব খাবার রান্না করা।
দিলারা মেসবাহ মনে করেন ঈদের দিনে নারীদের উপরে যে বাড়তি কাজের চাপ থাকে তা অনেক সময় তাদের ঈদের আনন্দকে ম্লান করে দিতে পারে। তাই সাংসারিক কাজে সকলের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। বলেন ‘পরিবারের পুরুষ সদস্যরাও যদি ঈদের কাজে একটু সহযোগিতা করেন তাহলে একজনের উপর এত বাড়তি চাপ পড়ে না। সবাইকে নিয়েই ঈদ। পরিবারের গৃহকর্মীও যেন ঈদের দিনটি উপভোগ করতে পারেন সেদিকে খেয়াল রাখা দরকার’। তিনি নিম্ন আয়ের মানুষের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
বয়স কোন বাধা নয়
সুপ্রিয় শ্রোতা, ইচ্ছাশক্তি ও আগ্রহ থাকলে মানুষের জীবনে বয়স কোন বাধা নয়। এ বিষয়টি আবারও প্রমাণ করেছে চেচিয়াং শহরের একটি বিশেষ নারী ফুটবল দল যাদের সদস্যদের গড় বয়স ৪১ বছর। তাদের কথা প্রতিবেদনে।
কুয়াংতুং প্রদেশের চেচিয়াং শহর। ফুটবল ম্যাচে দর্শকদের মধ্যে প্রবল আগ্রহ। জয় পরাজয় নিয়ে চলছে টেনশন। খেলা হচ্ছে নারী ও পুরুষ দলে। সবচেয়ে বড় কথা হলো নারী দলে সদস্যদের গড় বয়স ৪১ বছর। এ দলটি মায়েদের দল নামে পরিচিত। এই দলের নারীরা আশির দশকে ফুটবল খেলতেন। কিন্তু পরে বিভিন্ন কারণে খেলা ছেড়ে দিয়েছিলেন। বিভিন্ন পেশায় চলেও গেছেন তারা। অনেকেরই আছে একাধিক সন্তান।