বাংলা

মেড ইন চায়না : পর্ব-২৩: অ্যাবাকাস

CMGPublished: 2024-11-02 17:39:36
Share
Share this with Close
Messenger Pinterest LinkedIn

সুয়ানপানের চারকোনা বাক্সের ভেতর আছে সাতটি উলম্ব দণ্ড। প্রতিটি দণ্ড মূলত একক দশক শতক, তথা অঙ্কের স্থানাঙ্ক নির্দেশ করে। বাক্সের মাঝামাঝি প্রান্ত থেকে খানিকটা উপরের দিকে থাকে আরেকটি সমান্তরাল দণ্ড। খাড়া করে রাখা দণ্ডগুলোতে লাগানো থাকে কাঠ দিয়ে তৈরি গোল চাকতি। আর সেই চাকতিগুলোকে দুই ভাগে আলাদা করে রাখতো মাঝে থাকা সমান্তরাল দণ্ডটি। চাকতিগুলোকে হাত দিয়ে টেনে সমান্তরাল বা আনুভূমিক দণ্ডটির কাছে নিয়ে আসাই হলো গণনা করা।

সমান্তরাল দণ্ডের একপাশে রাখা হয় পাঁচটি চাকতি, অন্যপাশে থাকে দুটি বা তিনটি। নিচের দিকের পাঁচটি চাকতির প্রতিটি ১-৫ অংকগুলো বোঝায়। এভাবে পাঁচটি করে গণনার ধারণাটি এসেছিল মূল আমাদের আঙুলের কর গণনা থেকে।

অন্যদিকে, আনুভূমিক দণ্ডের অপরপ্রান্তে চাকতি থাকে দুটি, যার প্রতিটির মান ৫। অর্থাৎ সুয়ানপানে যদি কেউ ৭ লিখতে চায়, তবে নিচ থেকে দুটি চাকতি ও উপর থেকে একটি চাকতি টেনে মাঝ বরাবর রেখে দিতে হবে। আর কোনো চাকতি টেনে না আনার মানে হলো ওই ঘরের মান শূন্য। এদিকে, একটি অংক যেমন ২ এর মান ২ হবে নাকি ২০ হবে নাকি ২০০ হবে তা নির্ভর করছে এটি কত নম্বর দণ্ডে রয়েছে তার ওপর।

অ্যাবাকাস নিয়ে এবার কিছু তথ্য জানা যাক শান্তা মারিয়ার কাছ থেকে

· চীনের অ্যাবাকাস সবসময় একইরকম ছিল না। মিং রাজবংশের প্রথম দিকে, অ্যাবাকাসের দুই পাশের চাকতির অনুপাত ছিল ১ অনুপাত ৫। অর্থাৎ উপরের ডেকে থাকতো একটি চাকতি আর নিচে পাঁচটি। মিং রাজবংশের শেষের দিকে, অ্যাবাকাসে ২ অনুপাত ৫ পদ্ধতি আসে।

· সুয়ানপানে গণনার কাজ সহজ করার কিছু কৌশলও শেখানো হতো প্রাচীন চীনে। এখনও অনেক স্কুলে শেখানো হয় এর ব্যবহার। বিশেষ করে মেন্টাল ম্যাথ বা মানসাংকের দক্ষতা বাড়াতে সরাসরি উপকার করে অ্যাবাকাস।

· সোং রাজবংশের সময়কার একটি লিপিতে রয়েছে একটি পরিষ্কার চিত্রকর্ম। তাতে দেখা গেছে একটি হিসাবের বইয়ের পাশে একটি সুয়ানপান রাখা। এমনকি ওই সময়কার ডাক্তারের লেখা প্রেসক্রিপশনের পাশেও আছে সুয়ানপানের ছবি।

首页上一页1234全文 4 下一页

Share this story on

Messenger Pinterest LinkedIn