বাংলা

মেড ইন চায়না : পর্ব-১৮ : ম্যালেরিয়ার ওষুধ আর্টিমিসিনিন

CMGPublished: 2024-09-28 17:06:49
Share
Share this with Close
Messenger Pinterest LinkedIn

১৯৭২ সালে ইঁদুর ও বানরের ওপর আর্টিমিসিনিন প্রয়োগ করে ম্যালেরিয়ার জীবাণু ধ্বংস করার সফল পরীক্ষা করেন ইউইউ। কিন্তু মানুষের ওপর এ ওষুধ কাজ করবে কিনা তা তখনও জানা হয়নি। এখন প্রশ্ন হলো কার ওপর করা হবে সেই পরীক্ষা? গবেষণা দলের প্রধান হিসেবে বীরদর্পে এগিয়ে আসেন ইউইউ নিজেই। নিজের ওপর পরীক্ষার পর যখন নিশ্চিত হলেন ওষুধটি নিরাপদ তখন তিনি ম্যালেরিয়ার রোগীর ওপর ওষুধটির পরীক্ষা করেন ও সফলতা পান ।

এরপর থেকে আজ পর্যন্ত কোটি কোটি মানুষকে ম্যালেরিয়ার কবলে পড়ে অকালমৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছে চীনা গবেষক ইউইউর আবিষ্কার আর্টিমিসিনিন।

এমন একটি অনবদ্য আবিষ্কারের জন্য সর্বোচ্চ বৈশ্বিক স্বীকৃতি পেতে থু ইউইউকে অপেক্ষা করতে হয়েছে ৪৩ বছর। ২০১৫ সালে আরও দুইজনের সঙ্গে যৌথভাবে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান আর্টিমিসিনিনের আবিষ্কর্তা ইউইউ। এর আগে চীনের অনেকগুলো সম্মানজনক পুরস্কার পান ইউইউ। পরে ২০১৬ সালে পান চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সর্বোচ্চ পুরস্কার এবং ২০১৯ সালে পান মেডাল অব দ্য রিপাবলিক চায়না পদক।

২০২৩ সাল থেকে এখন পর্যন্ত চায়না একাডেমি অব চাইনিজ মেডিক্যাল সায়েন্সেস এর প্রধান বিজ্ঞানীর পদ অলংকৃত করে আছেন থু ইউইউ।

অনুষ্ঠানের এই ফাঁকে জেনে নেওয়া যাক আর্টিমিসিনিন সম্পর্কে কিছু তথ্য

· ২০০৬ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ম্যালেরিয়ার চিকিৎসায় কুইনিনকে পুরোপুরি বাতিল ঘোষণা করে। এরপর থেকে আর্টিমিসিনিনই ম্যালেরিয়ার একমাত্র স্বীকৃত ওষুধ।

· আর্টেমিসিনিন ওষুধটি দ্রুত কাজ করে। এটি ম্যালেরিয়া রোগীদের রক্ত প্রবাহে পরজীবীর সংখ্যা দ্রুত হ্রাস করে।

· ম্যালেরিয়ার পরজীবী যাতে আর্টিমিসিনিন-প্রতিরোধী না হয়ে যায়, সে জন্য এর সঙ্গে ম্যালেরিয়ার অন্য ওষুধও মেশাতে হতে পারে। এ চিকিৎসাপদ্ধতিকে বলা হয় আর্টিমিসিনিন-ভিত্তিক কম্বিনেশন থেরাপি বা এসিটি।

首页上一页1234全文 4 下一页

Share this story on

Messenger Pinterest LinkedIn