বাংলা

মেড ইন চায়না : পর্ব-১৮ : ম্যালেরিয়ার ওষুধ আর্টিমিসিনিন

CMGPublished: 2024-09-28 17:06:49
Share
Share this with Close
Messenger Pinterest LinkedIn

হাজার বছর আগের কাগজ, চা এবং নুডলস থেকে শুরু করে আজকের প্যাসেঞ্জার ড্রোন, কিংবা নতুন জ্বালানির গাড়ি। সুপ্রাচীনকাল থেকেই বিশ্বসভ্যতা এগিয়ে চলেছে চীনের শক্তিশালী আবিষ্কারের হাত ধরে। নানা সময়ে দারুণ সব আবিষ্কার করে আধুনিক সভ্যতার ভিত গড়ে দিয়েছে চীন। আর সেই সব আবিষ্কার নিয়ে আমাদের নিয়মিত আয়োজন মেড ইন চায়না।

মেড ইন চায়নার ১৮তম পর্বে সাথে আছি আমি ফয়সল আবদুল্লাহ...আজকের পর্বে থাকছে চীনের আবিষ্কার আর্টিমিসিনিন তথা ম্যালেরিয়ার কার্যকর ওষুধের কথা।

পৃথিবীতে যে প্রাণীটার কারণে এখনও সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যাচ্ছে সেটি হলো মশা। এর মধ্যে মশাবাহিত সবচেয়ে ভয়াবহ রোগটি হলো ম্যালেরিয়া। যার কারণে পৃথিবীতে প্রতি বছর মারা যাচ্ছে ছয় লাখেরও বেশি মানুষ। তবে সংখ্যাটা আরও অনেক বাড়তো, যদি না আবিষ্কার হতো আর্টিমিসিনিন নামের একটি অব্যর্থ ওষুধ। ১৯৭২ সালের নভেম্বরে যে ওষুধটি তৈরি করেন চীনা চিকিৎসাবিজ্ঞানী থু ইউইউ। সেই থেকে লাখ লাখ মানুষের জীবনে নতুন এক আলো হয়ে দেখা দিয়েছে ওষুধটি। কোটি মানুষের জীবন বাঁচানো সেই আর্টিমিসিনিন পুরোপুরি মেড ইন চায়না।

আর্টিমিসিনিনের আবিষ্কারের গল্পটা জানতে আমাদের যেতে হবে ৫৭ বছর পেছনে, ১৯৬৭ সালে। তখন চলছিল ভিয়েতনাম যুদ্ধ।

মার্কিন সমর্থিত দক্ষিণ ভিয়েতনামের সঙ্গে যুদ্ধকৌশলে পেরে উঠলেও উত্তর ভিয়েতনামের সেনারা পড়েছিল ভিন্ন এক বিপদে। আর সেই বিপদের নাম ম্যালেরিয়া। যুদ্ধের ময়দানে সেনারা আক্রান্ত হচ্ছিল প্রাণঘাতি এ রোগে।

প্রচলিত কুইনিনে সারছিল না উত্তর ভিয়েতনামি যোদ্ধাদের ম্যালেরিয়া। তাছাড়া কুইনিনের কারণে দেখা দিচ্ছিল মারাত্মক সব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। ওই সময় উত্তর ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট হো চি মিন, চীনের কাছে সাহায্য চাইলেন নতুন একটা ওষুধ আবিষ্কারের জন্য। চীনের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মাও সেতুং তার দেশের বিজ্ঞানীদের আদেশ দিলেন নতুন একটি ওষুধ নিয়ে সবাই যেন অতিসত্ত্বর গবেষণা শুরু করে।

1234全文 4 下一页

Share this story on

Messenger Pinterest LinkedIn