বাংলা

মেড ইন চায়না: পর্ব-১৬: সয়াবিন তেল

CMGPublished: 2024-09-14 14:57:41
Share
Share this with Close
Messenger Pinterest LinkedIn

· প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়, সয়াবিন তেলকে বিবেচনা করা হতো সস্তা ও উচ্চ মানের প্রোটিন হিসেবে।

এবার জেনে নেওয়া যাক সয়াবিন তেলের স্বাস্থ্যগুণের কথা

· উচ্চতাপে রান্নার জন্য সয়াবিন তেল নিরাপদ। কারণ এই তেলের স্মোক পয়েন্ট বা তাপের সীমা অন্য তেলগুলোর চেয়ে বেশি। তাই ২৩০ ডিগ্রি পর্যন্ত তাপে এই তেলে রান্না করলেও ক্ষতিকর কোনো উপাদান তৈরি হয় না।

· সয়াবিন তেলে আছে উপকারী চর্বি, যা পরিমিত মাত্রায় গ্রহণ করলে হৃৎপিণ্ডের উপকারে আসে।

· এক টেবিল চামচ সয়াবিন তেলে আছে ২০ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন কে। এই ভিটামিন আমাদের হাড় মজবুত রাখতে সাহায্য করে।

· সয়াবিন তেলে আছে উপকারী ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। হৃদরোগ, ক্যান্সার ও ডায়াবেটিসের মতো মারাত্মক সব রোগ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে এটি।

· ত্বকের জন্য নানা ধরনের সিরাম, জেল বা লোশনেও ব্যবহার করা হয় সয়াবিন তেল। এই তেলে থাকা ভিটামিন ই আমাদের ত্বকে পুষ্টি যোগায়।

· শুধু শরীরের স্বাস্থ্য নয়, সয়াবিন চাষ করলে মাটির স্বাস্থ্যও বাড়ে। সয়াবিন গাছ বাতাস থেকে সরাসরি নাইট্রোজেন শোষণ করে সেটাকে মাটিতে স্থানান্তর করতে পারে। এতে মাটি আরও উর্বর হয়।

সয়াবিন তেলের বাণিজ্য নিয়ে কিছু তথ্য জানিয়ে রাখি

বিশ্বজুড়ে বাণিজ্যিক পণ্যগুলোর মধ্যে সয়াবিন নিঃসন্দেহে একটি বড় স্থান দখল করে আছে। শুধু বাংলাদেশেই এখন বছরে প্রায় ১০ লাখ টন সয়াবিন তেলের চাহিদা রয়েছে। এর বেশিরভাগই করতে হয় আমদানি।

আবার চীনে সয়াবিনকে ঘিরে নানা জনপ্রিয় খাবার আছে বলে তেলবীজটিকে দেশটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৃষিপণ্য বিবেচনা করা হয়। এখানে এ বীজ ও তেলের চাহিদা এত বেশি যে দেশে উৎপাদন করে চাহিদা মেটানো সম্ভব নয়। তাই চীন বিপুল পরিমাণে সয়াবিন তেল আমদানি করে থাকে। বিশেষ করে ব্রাজিল ও যুক্তরাষ্ট্র থেকেই চীনে বেশিরভাগ সয়াবিন রপ্তানি হয়। সেই হিসেবে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সয়াবিন ভোক্তার দেশ হলো চীন। গত বছর শুধু ‍যুক্তরাষ্ট্র থেকেই চীন আমদানি করেছে প্রায় সাড়ে ৯ কোটি টন সয়াবিন।

首页上一页1234全文 4 下一页

Share this story on

Messenger Pinterest LinkedIn