বাংলা

মেড ইন চায়না: পর্ব-১৬: সয়াবিন তেল

CMGPublished: 2024-09-14 14:57:41
Share
Share this with Close
Messenger Pinterest LinkedIn

হাজার বছর আগের কাগজ, চা এবং নুডলস থেকে শুরু করে আজকের প্যাসেঞ্জার ড্রোন। সুপ্রাচীনকাল থেকেই বিশ্বসভ্যতা এগিয়ে চলেছে চীনের শক্তিশালী নানা আবিষ্কারের হাত ধরে। একেক সময়ে দারুণ সব আবিষ্কার করে আধুনিক সভ্যতার ভিত গড়ে দিয়েছে চীন। আর সেই সব আবিষ্কার নিয়ে আমাদের নিয়মিত আয়োজন মেড ইন চায়না।

মেড ইন চায়নার ১৬তম পর্বে সাথে আছি আমি ফয়সল আবদুল্লাহ...আজকের পর্বে থাকছে চীনের আবিষ্কার সয়াবিন তেলের কথা।

সকালের নাস্তার ডিম থেকে শুরু করে দুপুরের খাবারে একখানা কুড়মুড়ে ভাজা মাছ, বিকেল হতেই একটুখানি সিঙ্গাড়া বা আলুর চপের মতো মুখরোচক একটা কিছু তো চাই। আবার রাত হলে দামি রেস্তোরাঁর ফ্রায়েড চিকেন বলুন বা নিজের বাসায় বানানো নিতান্তই আলু ভাজা.. খাবারটা দামি হোক কিংবা সস্তা, একটা বস্তু কিন্তু সবকিছুতেই হাজির। ওটা ছাড়া এসব খাবারের কথা ভাবাই যাবে না। বলছিলাম, ভোজ্য তেলের কথা। আরও স্পষ্ট করে বলতে গেলে নামটা হলো সয়াবিন তেল। আজ থেকে প্রায় তিন হাজার বছর আগে বিশ্বে প্রথম সয়াবিন তেল দিয়ে রান্না হয়েছিল চীনে। বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষের রান্নাঘরে স্থায়ী আসন তৈরি করে নেওয়া সয়াবিন তেল পুরোপুরি মেড ইন চায়না।

তিন হাজার বছর আগে চীনের শাং রাজবংশের শেষের দিকে আবির্ভাব ঘটে সয়াবিন তেলের। ওই সময়কার চীনা ক্লাসিক কবিতা সংকলন শি চিন-এও দেখা যায় সয়াবিন তেলের কথা।

তেল আবিষ্কারেরও প্রায় হাজার বছর আগে সয়াবিনকে খাবার হিসেবে খেত চীনারা। ওই সময় চীনের পাঁচটি শস্যকে মহাপবিত্র হিসবে গণ্য করা হতো। চাল ও শস্যদানাসহ সেই তালিকায় সয়াবিনকে বলা হতো ‘হলুদ বিস্ময়’।

খ্রিস্টীয় প্রথম শতাব্দীতে, সয়াবিন মধ্য ও দক্ষিণ চীন এবং কোরিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে বলে মনে হয়। সপ্তম শতাব্দীতে, সয়াবিন জাপানে এবং তারপরে ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, মিয়ানমার, নেপাল ও উত্তর ভারতে যায়।

1234全文 4 下一页

Share this story on

Messenger Pinterest LinkedIn