বাংলা

মেড ইন চায়না: পর্ব-১৬: সয়াবিন তেল

CMGPublished: 2024-09-14 14:57:41
Share
Share this with Close
Messenger Pinterest LinkedIn

ওই সময় সব দেশেই সয়াবিন ছিল বেশ দামি একটি উপাদান। নানা ধরনের খাবারের উৎস ছিল এটি। ঐতিহ্যবাহী এশিয়ান রন্ধনপ্রণালীতে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সয়া খাবার ছিল মিসো, টেম্পে ও টোফু।

চলুন জেনে নিই সয়াবিন তেলের কিছু ঐতিহাসিক তথ্য

· খাদ্য হিসেবে সয়াবিন তেলের প্রাচীনতম উল্লেখ পাওয়া যায় ষোড়শ শতকের দিকে চীনের বহুমাত্রিক প্রতিভাদর লি শি চেনের লেখা বিশালাকার একটি গ্রন্থে। সেখানে একটি অনুচ্ছেদ ছিল সয়াবিন ও এর তেলের ব্যবহার নিয়ে। সেখানে এও লেখা আছে, ত্বকের ঘা কিংবা মাথার টাক দূর করতে প্লাস্টারের মতো করে প্রয়োগ করা যেতে পারে সয়াবিন তেল।

· চীনে ব্যাপক হারে ব্যবহারের হাজার বছর পর ১০০ খ্রিষ্টাব্দে এসে সয়াবিন তেলের সন্ধান পায় জাপানিরা। এরপর ধীরে ধীরে এশিয়ার আরও কিছু দেশের রান্নাঘরে জায়গা করে নেয় সয়াবিন তেল।

· এরও প্রায় হাজার বছর পর চীনের সয়াবিন বীজের কথা আমেরিকা ও ইউরোপকে জানায় ব্রিটিশ উপনিবেশের এক কর্মকর্তা স্যামুয়েল বাওয়েন। তাকে চীনের ক্যান্টনে পাঠানো হয়েছিল গোপন এক মিশন নিয়ে। ওই সময় সয়াবিন তেলের প্রক্রিয়া ও ব্যবহার সংক্রান্ত তথ্য চুরি করেন স্যামুয়েল। ধরা পড়লে নিশ্চিত কারাবরণ করতে হতো তাকে। কারণ ওই সময় সয়াবিন ও এর বীজ ছিল সংরক্ষিত একটি কৃষিপণ্য। স্যামুয়েল জর্জিয়ায় ফিরে এসে প্রশাসনের কাছ থেকে সয়াবিন চাষের জন্য জমি চেয়ে নেন।

· ১৮৫১ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় ও আরও কিছু রাজ্যের কৃষকদের মধ্যে সয়াবিনের বীজ বিতরণ করা হয়। প্রশান্ত মহাসাগরে একটি জাপানি মাছ ধরার নৌকায় আটকে পড়া কিছু কর্মীর কাছ থেকেও পাওয়া গিয়েছিল এই বীজ।

· ফ্রান্সে প্রথম সয়াবিন রোপণ করা হয়েছিল ১৭৪০ সালে। পরে ১৭৯০ সালে এর চাষ শুরু হয় ইংল্যান্ডে।

· আমেরিকান সয়াবিন ইংল্যান্ডে রপ্তানির জন্য সয়া সস এবং সয়া নুডলস তৈরিতে ব্যবহৃত হতো। আমেরিকায় সয়াবিন জনপ্রিয় করার পেছনে বেঞ্জামিন ফ্র্যাঙ্কলিনের ভূমিকাও ছিল। ১৭৭০ সালে উত্তর আমেরিকার এক উদ্ভিদবিদ বন্ধু লন্ডন থেকে তার কাছে বীজ পাঠালে তিনি এর গুণগানের প্রচার করতে শুরু করেন।

首页上一页1234全文 4 下一页

Share this story on

Messenger Pinterest LinkedIn