চীনের তৈরি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট পণ্যের রফতানি বাড়ছে
কুও ছাও বলেন, ২০২০ সালে বিশ্বজুড়ে কোভিড-১৯ মহামারি ছড়িয়ে পড়ে। বিশ্বব্যাপী শিল্পের পরিবেশের অনেক ক্ষতি হয়। কিন্তু, বিদেশে বিওই’র ব্যবসার উন্নতি ঘটেছে। মহামারি বিওই-র সাথে বিদেশী অংশীদারদের সহযোগিতা ও নব্যতাপ্রবর্তনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি।
২০২০ সালে, মহামারি পরিস্থিতিতে, বিওই বাজারের চাহিদা অনুযায়ী, দ্রুত বিগডেটা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কেন্দ্র করে, দেহের তাপমাত্রা মাপার স্বয়ংক্রিয় ম্যাশিন তৈরি করে। এই পণ্যটি যুক্তরাষ্ট্রেও রফতানি হয়েছে।
আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্র্যান্ডের মূল্যায়ন ও পরামর্শদাতা সংস্থা ব্র্যান্ড ফিনান্সের (Brand Finance) সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিওই-সহ অধিকাংশ চীনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বিশ্বের সেরা ৫০০টি প্রতিষ্ঠানের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
কুও ছাও বলেন, বিশ্বায়নের প্রেক্ষাপটে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা উন্নয়নের আশা রয়েছে। বিদেশী বাজারও চীনের বিনিয়োগ ও সহযোগিতাকে স্বাগত জানায়। বিদেশী বাজারে ভৌগোলিক পার্থক্য, বহুমুখী সংস্কৃতি ও জটিল বাজার পরিকল্পনার চ্যালেঞ্জ আছে। অব্যাহতভাবে প্রযুক্তি, পণ্য ও পরিষেবার প্রতিযোগিতার শক্তি উন্নয়নের পাশাপাশি, পরিচালনার সামর্থ্য উন্নত করতে হবে। উন্নত ডিজিটাল বিপণন প্রযুক্তি দিয়ে বিদেশী বাজারে অবস্থান শক্তিশালী করতে হবে, যাতে বিদেশী ভোক্তাদেরকে আরও সুন্দর সেবা দেওয়া যায়।
চীনের বিভিন্ন মহলের প্রতিষ্ঠান বিদেশী বাজারে নিজেদের জন্য দৃঢ় ও সুষ্ঠু ভিত্তি স্থাপন করেছে। চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে।
বন্ধুরা, শুনছিলেন চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদেশী বাজারে বিনিয়োগ বাড়ানো সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন।