চীনের তৈরি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট পণ্যের রফতানি বাড়ছে
ট্রান্সশন কোম্পানির পূর্ব আফ্রিকা বাজারের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ওয়াং স্যু বলেন, তাঁর কোম্পানি আফ্রিকার বাজারে আছে দশ বছরেরও বেশি সময় ধরে। তিনি বলেন,
“দশ বছর আগে আফ্রিকার ভোগ্য-বাজারের সুপ্তশক্তি বিরাট ছিল। আমরা আফ্রিকায় পরিদর্শন ও গবেষণা করার পর বুঝেছি যে, আফ্রিকার নিজের অবস্থা ও রীতিনীতির সাথে সংগতিপূর্ণ পণ্যের চাহিদা আছে। এ নতুন বাজারে আমাদের সুযোগ প্রচুর।”
আফ্রিকার স্থানীয় বাসিন্দাদের চাহিদা পূরণ করার জন্য, ট্রান্সশন মোবাইল অব্যাহতভাবে বিশেষ ফাংশন উন্নয়ন করেছে। যেমন, কালো ত্বকের জন্য উপযুক্ত ক্যামেরা ফাংশন, স্থানীয় ভাষা, দীর্ঘ স্ট্যান্ডবাই, আফ্রিকান সংগীত, ডাবল এমনকি চারটি সিম কার্ডের ফোন, এবং অতিরিক্ত ঘামের কারণে ক্ষয়রোধ করতে ইউভি স্প্রে অ্যান্টি-জারা প্রযুক্তি, ইত্যাদি। হার্ডওয়্যার উন্নয়নের পাশাপাশি, ট্রান্সশন চীনের ওয়েবসাইট কোম্পানির সাথে সহযোগিতা করে আফ্রিকান ভোক্তাদের জন্য মোবাইল ইন্টারনেট পণ্য তৈরি করেছে। এতে সংগীত, খেলা ও ক্ষুদ্র ভিডিও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এটি আফ্রিকার ডিজিটাল শিল্পের উন্নয়নে রাখছে ভূমিকা।
বিশ্বের অর্ধপরিবাহী শিল্পেও চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর অবস্থান শীর্ষে। পরিসংখ্যান অনুসারে, বিশ্বের প্রতি চারটি স্মার্ট ডিসপ্লে টার্মিনালের মধ্যে একটি চীনের বিওই’র। ২০২০ সালে বিওই’র তৈরি ডিসপ্লে টার্মিনালের সংখ্যা ছিল বিশ্বে সবচেয়ে বেশি। এ ছাড়াও স্মার্ট ফোন, ট্যাবলেট, ল্যাপটপ, মনিটার ও টেলিভিশন উত্পাদনের দিক দিয়েও কোম্পানিটি ছিল শীর্ষে। বিওই’র ভাইস চেয়ারম্যান ও গ্লোবাল বিপণন কেন্দ্রের মহাব্যবস্থাপক কুও ছাও বলেন, পণ্যের বাজারে প্রতিযোগিতা করার ক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ।
পণ্যের নব্যতাপ্রবর্তন ও মানের ক্ষেত্রে বিওই এগিয়ে আছে। বিওই সাম্প্রতিক বছরগুলোয় ট্রান্সশন ডিসপ্লে টার্মিনাল সেমিকন্ডাক্টর ডিসপ্লে থেকে ওয়েবসাইট, বিগডেটা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে ক্রমশ উন্নতি করেছে। ২০২০ সাল পর্যন্ত বিওই’র পেটেন্টের সংখ্যঅ ৭০ হাজার ছাড়িয়ে যায়। একই বছরে কোম্পানির পেন্টেট ৯০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে এবং বিদেশে আবেদিত পেন্টেটের সংখ্যা ৩৫ শতাংশ বেড়েছে।