বাংলা

তুলং জাতি থানার গ্রামপুনরুরজ্জীবন

CMGPublished: 2023-08-22 15:23:39
Share
Share this with Close
Messenger Pinterest LinkedIn

২০১৪ সালে হেইফু সুড়ঙ্গ আনুষ্ঠানিকভাবে রূপান্তরিত হয়। তখন থেকে তুলংচিয়াং থানা থেকে কংশান জেলায় যেতে মাত্র দুই ঘন্টা লাগে। তথন থেকে বিভিন্ন পণ্য, প্রযুক্তি ও প্রতিভাবান ব্যক্তি এ সুড়ঙ্গের মধ্য দিয়ে তুলং থানায় এসেছেন, যাতে স্থানীয় উন্নয়নে নতুন চালিকাশক্তি সৃষ্টি করা যায়। কংশান জেলার সাবেক ম্যাজিস্ট্রেট কাও দ্য রং বলেছিলেন, বাইরের সঙ্গে যোগাযোগ করা ও বাইরে সহজে যাওয়া হলো তুলং জেলার হাজার হাজার বছরের স্বপ্ন।

মাখু গ্রামের বাসিন্দা থাং স্যিয়াও ছং জানান, ছোটবেলায় তিনি কখনও টেলিভিশন দেখেননি। বাইরের দুনিয়ার সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ ছিল না। তিনি বাইরের বিশ্ব সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। ছোটবেলায় বাইরে যাওয়ার কোনো চিন্তাও তার ছিল না। বর্তমানে তিনি নতুন অ্যাপার্টমেন্টে স্থানান্তরিত হয়েছেন। তিনি নিজের ছোট দোকান খুলেছেন। বর্তমানে তাঁর বার্ষিক আয় প্রায় ১ লাখ ইউয়ান আরএমবি। তিনি তার বর্তমান জীবন নিয়ে সুখী।

২০১৮ সালে তুলং জাতি সার্বিকভাবে দারিদ্র্যমুক্ত হয়। এখন তাদের জন্য সরকারের নির্মিত জনবসতি মোট ২৬টি; অ্যাপার্টমেন্ট মোট ১০৬৮টি। স্থানীয় বাসিন্দাদের বসবাসের অবস্থা অনেক উন্নত হয়েছে। এছাড়াও, স্থানীয় পৌর সরকার বাসিন্দাদেরকে গৃহের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও আসবাবপত্র সরবরাহ করেছে। স্থানীয় বাসিন্দা থাং স্যিয়াও ছং বলেন, তাঁর ছেলে একটি সুন্দর ও সুখী বাড়ি পেয়েছে।

তুলংচিয়াং থানার শিশুরা তাঁদের পিতামাতার মতো কঠিন জীবন কাটাবে না। আগে তুলংচিয়াংয়ে একটিমাত্র প্রাথমিক স্কুল ছিল। প্রাথমিক স্কুল থেকে পাস করে ৯০ কিলোমিটার দূরের কংশান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে তাদের যেতে হতো। শিশুরা বছরে মাত্র একবার বাড়ি ফিরতে পারতো। কোনো কোনো শিশু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে প্রাণও হারিয়েছে।

首页上一页123全文 3 下一页

Share this story on

Messenger Pinterest LinkedIn