বাংলা

তুলং জাতি থানার গ্রামপুনরুরজ্জীবন

CMGPublished: 2023-08-22 15:23:39
Share
Share this with Close
Messenger Pinterest LinkedIn

ইউননান প্রদেশে চীন-মিয়ানমার সীমান্ত অঞ্চল এবং ইউনান ও তিব্বতের সংযোগ-এলাকায় অবস্থিত একটি তুলং জাতির থানা। থানায় কয়েক হাজার তুলং জাতির বাসিন্দা থাকেন। তুলং জাতিঅধ্যুষিত এলাকা ছিল চীনের একমাত্র এলাকা, যেখানে কোনো সড়ক ছিল না। দীর্ঘকালা বাইরের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল না বলে, তুলং জাতির অঞ্চলকে চীনে ইউননানের 'সর্বশেষ গোপন জায়গা' বলে ডাকা হয়।

হাজার হাজার বছর ধরে তুলং জাতি ঐতিহ্যগত পদ্ধতিতে চাষ করত। তাঁদের জীবন আগে খুবই কঠিন ছিল। তুলং জাতির লোকসংখ্যা খুবই কম এবং তাদের থাকার পরিবেশ ছিল খুব খারাপ। একসময় গোটা জাতিই বিলুপ্তির হুমকির মুখে পড়েছিল।

তুলংচিয়াং থানার জীবনযাত্রার মানও খুবই নিম্ন ছিল। প্রতিবছরের নভেম্বর থেকে পরের বছরের মে মাস পর্যন্ত তুষারের কারণে বাইরের সঙ্গে যোগাযোগ সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন থাকত।

তুলং জাতির উন্নয়নের পথে প্রধান বাধা ছিলো খারাপ পরিবহনব্যবস্থা। তুলং জাতির মানুষ পাহাড়ি এলাকায় বসবাস করে। সেখানকার পরিবহন-ব্যবস্থা খুবই খারাপ ছিল। ১৯৯৯ সালে তুলংচিয়াং থানা ও কংশান জেলার মধ্যে একটি ছোট সড়ক চালু হয়। কিন্তু থানা থেকে জেলায় হেঁটে যেতে দশ দিনেরও বেশি সময় লাগতো। গ্রামগুলোর মধ্যে দূরত্ব কম, কিন্তু পাহাড়ি এলাকা বিধায়, এক গ্রাম থেকে অন্য এক গ্রামে যেতে কয়েক দিন লেগে যেতো। শিশুরা প্রতিদিন খুবই বিপজ্জনক পাহাড়ি সড়ক অতিক্রম করে স্কুলে যেতো। প্রতিটি সেতু বা নদীর উপরে অবস্থিত কেবলের অবস্থা ছিল খুবই খারাপ। একটু অসাবধান হলেই নদীতে পড়ে যাবার আশঙ্কা।

অবশ্য, গত বিংশ শতাব্দীর ৯০-এর দশকে তুলংচিয়াং থানার পরিবহন-ব্যবস্থার অনেক পরিবর্তন ঘটেছে। ১৯৯৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর কংশান জেলা ও তুলংচিয়াং থানার মধ্যে সড়ক-যোগাযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়। তুলংচিয়াং সড়কে হেইফু সুড়ঙ্গ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩ হাজার মিটার উঁচুতে পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত। প্রতিবছর তুষারপাতের সময় সুড়ঙ্গের দুই মুখ বন্ধ হয়ে যেতো। মাখু গ্রামের বাসিন্দা মেং জে ইউন বলেন, ‘আগে তুষার পড়লে সুড়ঙ্গ বন্ধ হয়ে যেতো। একদিন আমি সকাল আটটায় বাইরে গিয়ে ভোররাত ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে ঘরে ফিরতে পেরেছিলাম।‘

123全文 3 下一页

Share this story on

Messenger Pinterest LinkedIn