‘চীন ভ্রমণ’ ক্রমাগত জনপ্রিয় হচ্ছে
‘চীন ভ্রমণ’ করার জন্য বিদেশীদের ক্রমবর্ধমান উত্সাহের পিছনে রয়েছে চীনের ভিসা-মুক্ত ‘বন্ধু বলয়ের’ বারবার সম্প্রসারণ।
২০২৩ সালের পহেলা ডিসেম্বর থেকে চীন, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, স্পেন এবং মালয়েশিয়া ছয়টি দেশের সাধারণ পাসপোর্টধারীদের জন্য একটি একতরফা ভিসা-মুক্ত নীতি প্রয়োগ করেছে।
২০২৪ সালের ১৪ মার্চ থেকে ভিসা-মুক্ত নীতিটি সুইজারল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, হাঙ্গেরি, অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম এবং লুক্সেমবার্গের সাধারণ পাসপোর্টধারী ব্যক্তিদের জন্য প্রসারিত করে প্রয়োগ করেছে।
২০২৪ সালের পহেলা জুলাই থেকে চীন নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া এবং পোল্যান্ডের সাধারণ পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা-মুক্ত নীতি কার্যকর করেছে।
এ ছাড়াও ১৮টি প্রদেশ, স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল এবং পৌরনগরের ৩৮টি বন্দর বর্তমানে ৫৪টি দেশের জনগণের জন্য ৭২ ঘন্টা বা ১৪৪ ঘন্টা ট্রানজিট ভিসা-মুক্ত নীতি বাস্তবায়ন করেছে।
অর্থপ্রদানের সুবিধার উন্নতি, মনোরম স্থানগুলোর টিকিট কেনার রিজার্ভেশন ও ক্রয় পদ্ধতি অপ্টিমাইজ করা এবং বহুভাষিক সাংস্কৃতিক ও পর্যটন পরিষেবা প্রদান করা... এই বছরের শুরু থেকে বিভিন্ন স্থানের বিভিন্ন বিভাগ বিদেশী পর্যটকদের অভ্যন্তরীণ ভ্রমণের সুবিধার্থে ধারাবাহিক ব্যবস্থা চালু করেছে।
পরিবর্তনটা অনুভব করলেন জার্মান পর্যটক কেন গোফি। গত বছর যখন তিনি চীনে আসেন, তখন তিনি ইলেকট্রনিক পেমেন্ট করার জন্য বন্ধুদের সাহায্য চেয়েছিলেন। চলতি বছর কুয়াংচৌতে পৌঁছানোর পর তিনি আবিষ্কার করেছেন যে, একটি মোবাইল পেমেন্ট সফ্টওয়্যারের সাথে একটি ব্যাঙ্ক কার্ড সংযুক্ত করার পর তিনি সফলভাবে ট্রেনের টিকিট বুক করতে এবং স্টেশনে প্রবেশের জন্য সাবওয়ে কোড স্ক্যান করতে পারেন।
এই বছরের জুন মাসের শেষ থেকে কুয়াংচৌ শহর আন্তর্জাতিক ট্রানজিট যাত্রীদের বিনামূল্যে একদিনের ভ্রমণ পরিষেবা প্রদান করেছে, যার মধ্যে রয়েছে বিনামূল্যে ভ্রমণ বাস, ইংরেজি-ভাষী ট্যুর গাইড, দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন, স্ন্যাক-লাঞ্চ ইত্যাদি।