‘চীন ভ্রমণ’ ক্রমাগত জনপ্রিয় হচ্ছে
সাক্ষাত্কারে সাংবাদিকরা দেখেছেন যে, ভ্রমণের গন্তব্যগুলো বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিদেশী পর্যটকদের আলাদা পছন্দ রয়েছে। বেইজিং, শাংহাই এবং কুয়াংচৌয়ের মতো উচ্চ মাত্রার আন্তর্জাতিকীকরণের প্রথম-স্তরের শহরগুলো প্রায়শই প্রথমবার চীনে আসা বিদেশিদের বাছাই। ছেংতু, চাংচিয়াংচিয়ে, সিনচিয়াং এবং ছোংছিংসহ নানা জায়গায় দ্বিতীয় বা তৃতীয়বার চীনে আসা বিদেশী ভ্রমণকারীদের বাছাই হয়ে ওঠে।
চীন পর্যটন একাডেমির অন্তর্মুখী পর্যটকদের সন্তুষ্টির উপর একটি বিশেষ জরিপ দেখায় যে, উত্তরদাতাদের ৬০ শতাংশের বেশি ‘চীনা সংস্কৃতির অভিজ্ঞতা’ চীন ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য হিসেবে বিবেচনা করেন।
আমেরিকান ব্রায়ান লিন্ডেন ২০ বছর ধরে চীনে বসবাস করেছেন। তিনি ইউননানে যে হোটেলটি চালান তা গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অনেক স্কুলের সাথে সহযোগিতা করে। তিনি মনে করেন, পর্যটন শুধুমাত্র দর্শনীয় স্থানগুলোর জন্য নয়, এটি বিভিন্ন দেশের লোকেদের মধ্যে যোগাযোগ এবং বোঝাপড়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যানেল। ব্রায়ান লিন্ডেন বলেন, মার্কিন শিক্ষার্থীরা যখন চীনে আসেন, তখন তারা চীনা সংস্কৃতিতে গভীরভাবে আকৃষ্ট হয়েছেন এবং চীনাদের আতিথেয়তায় মুগ্ধ হয়েছেন।
ইতালীয় ট্র্যাভেল এজেন্ট এনরিকো রাদ্রিজানি ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে পর্যটন শিল্পে নিযুক্ত রয়েছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন যে, ইতালীয় পর্যটকরা প্রাচীন স্থান ও জাদুঘর পরিদর্শন করতে এবং চীনা লোক প্রথার অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পছন্দ করেন। তিনি মনে করেন, আমরা চীনে ভ্রমণ করার মাধ্যমে কেবল ফটোগুলোই লাভ করি না, বন্ধুত্বও অর্জন করেছি।
কুয়াংচৌ কুয়াংচিলুই ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেল সার্ভিস লিমিটেড কোম্পানির অন্তর্মুখী পর্যটন ব্যবসা বিষয়ক প্রধান দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ফাং ফাং বলেছেন যে, ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের কিছু শিক্ষার্থী গোষ্ঠী চীনা কোম্পানি যেমন হুয়াওয়ে এবং বিওয়াইডি, সেইসাথে চালকবিহীন যানবাহন ও ড্রোনসহ নান শিল্পের প্রতি খুব আগ্রহী। তারা চীনের অর্থনীতির উন্নয়নের বিস্তারিত তথ্য সম্পর্কে জানতে চায়।