ভেনিস থেকে বেইজিং: মার্কো পোলোর যাত্রাপথে ইতালিয় রাইডার
সিনচিয়াং থেকে বেইজিং পর্যন্ত, দু’জন মরুভূমির মধ্য দিয়ে গেছেন এবং অনেক উঁচু ভবন দেখেছেন। ফাচিনেটি প্রথমবারের মতো এই দূরবর্তী দেশে এসেছেন। তিনি মনে করেন, সাইকেল চালানোর সময় তিনি অনুভব করেন যে, চীনারা এত উদার, বন্ধুত্বপূর্ণ এবং সহায়ক।
ফিওরিন প্রথমবার চীনে এসেছিলেন ১৯৮৭ সালে। ৩৭ বছর পর আবার চীনে এসে তিনি বললেন, চীনের বড় পরিবর্তন দেখে খুব অবাক হয়েছেন।
তিনি ক্রমাগত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ভ্রমণের ডায়েরি আপডেট করেন, ‘এখানে বাস, বৈদ্যুতিক সাইকেল, ট্রাইসাইকেল এবং প্রাইভেট কারসহ সর্বত্র বৈদ্যুতিক যানবাহন রয়েছে। আমি ইউরোপে এমন দৃশ্য কখনও দেখিনি।‘ নতুন অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেন ফিওরিন। ‘রাস্তাগুলো প্রশস্ত এবং পরিষ্কার, পার্কসহ গণ স্থাপনা সুশৃঙ্খল এবং পরিচ্ছন্ন। পরিবেশ সুরক্ষা সম্পর্কে মানুষের সচেতনতা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে।’ সাইকেল চালানোর পথে চীনা রীতিনীতি এবং প্রাকৃতিক দৃশ্য তার বর্ণনা বিপুল সংখ্যক নেটিজেনকে আকৃষ্ট করেছে।
ফিওরিন বলেন, ‘আসলে আসার আগে, আমি কল্পনা করতে পারিনি, চীন দেখতে কেমন হয়েছে। সাইকেলের মাধ্যমে বিশ্বকে পর্যবেক্ষণ করতে পারি এবং লেখার মাধ্যমে আমার পর্যবেক্ষণ রেকর্ড করতে চাই। মার্কো পোলোর মতো বিভিন্ন সংস্কৃতির দূত হতে চাই আমি।’
১ আগস্ট, বেইজিংয়ে পৌঁছান ফিওরিন এবং ফাচিনেটি। দুই ভেনিসিয় রাইডার সফলভাবে তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করেছেন। ফিওরিন বলেন, ‘এই যাত্রা, এই দেশ আমাকে বারবার মুগ্ধ করেছে। আমার এ বিস্ময় কখনো শেষ হবে না।’