আকাশ ছুঁতে চাই ৯৩
এখন হাবিবা তার এলাকার অনেক নারীর জন্য অনুপ্রেরণা। কেননা স্নাতক শেষ করে একটি ছোট্ট দোকান দিয়েও যে সফল হওয়া যায় সে পথ বাতলে দিয়েছেন এই নারী। তাইতো এখন অনেকেই এই পেশায় আসছেন। শুরু করছেন ব্যবসা। নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করছেন নারী উদ্যোক্তা হিসেবে।
হাবিবা জানান, “আমি আমার অঞ্চলের ঐতিহ্যকে দেশি- বিদেশি বন্ধুদের সামনে উপস্থাপন করতে চেয়েছি। আমি চেয়েছি সকলেই এই অঞ্চলের খাবারের স্বাদ গ্রহণ করুক। তাহলে তারা সিনচিয়াংয়ের খাবার সম্পর্কে একটা স্বচ্ছ ধারণা পাবে”।
অতিথিপরায়ণ অঞ্চল হিসেবে খ্যাত চীনের এই উইগুর স্বায়ত্তশাসিত সিনচিয়াং অঞ্চল। তাইতো নানা খাবারের পসরা সাজিয়ে হাবিবার মতো আরও অনেকেই স্বাগত জানান নিজ দেশের খাবারের অভিজ্ঞতা নিতে।
নারী উদ্যোক্তা হাবিবা এখন সকলের জন্য পথচলার প্রেরণা্।
প্রতিবেদন- আফরিন মিম
সম্পাদনা- শান্তা মারিয়া
বিনামূল্যে এইচপিভি টিকা পাবে চীনের ৪০ শতাংশ কিশোরী
সার্ভিক্যাল ক্যান্সার বিশ্বজুড়ে নারীদের বিশেষ ধরনের প্রাণঘাতী ব্যাধি। বিশ্বের অনেক তরুণী কিশোরীর মৃত্যুর দূত এই ক্যান্সার। এই ক্যান্সার থেকে কিশোরীদের বাঁচাতে চীনে বিনামূল্যে টিকা দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিস্তারিত রয়েছে ফয়সল আবদুল্লাহ র প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনটি শোনাচ্ছেন হোসনে মোবারক সৌরভ
সার্ভিক্যাল ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে চীনের ১৩ থেক ১৪ বছর বয়সী প্রায় ৪০ শতাংশ কিশোরী বিনামূল্যে হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাসের (এইপিভি) টিকা পাবে। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন এ কথা জানিয়েছে।
কমিশনের মা ও শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান শেন হাইপিং জানালেন, ২০২১ সাল থেকেই চীনের ১১টি প্রাদেশিক-স্তরের অঞ্চল এবং একাধিক শহরে নির্দিষ্ট বয়সের কিশোরীদের বিনামূল্যে টিকাদান পরিষেবা চালু আছে।
শেন বলেন, চীনজুড়ে বিনামূল্যে মোট ২৮ কোটি এইচপিভি স্ক্রিনিং করা হয়েছে, যা সার্ভিক্যাল ক্যান্সারের প্রাথমিক শনাক্তকরণ ও চিকিৎসায় দারুণ কাজে এসেছে।
সরকারি তথ্যে জানা গেছে, চীনের নারী ফেডারেশন সংস্থাগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে মোট ২ লাখ ৭৫ হাজার সার্ভিক্যাল ক্যান্সার আক্রান্ত নারীদের সহায়তায় কাজ করছেন সরকারি স্বাস্থ্যকর্মীরা।
জরায়ু মুখের ক্যান্সার প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় চীন বেশ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানান শেন। ২০২৩ সালে, দেশটি জরায়ুমুখের ক্যান্সার নির্মূলকে ত্বরান্বিত করতে একটি প্রচারাভিযান শুরু করেছিল। তখন চীন ঘোষণা দেয় তারা এই সংক্রমণের হার প্রতি লাখে ৪ জনে নামিয়ে আনার।
ফয়সল আবদুল্লাহ
সম্পাদনা: শান্তা মারিয়া
চীনকে ভালোবাসেন রুশ তরুণী আন্না
অনেক বিদেশি নারী চীনের সংস্কৃতি ও নিরাপদ পরিবেশে মুগ্ধ হয়ে এখানে স্থায়ী ভাবে বসবাস করছেন। এমন একজন নারী রুশ দেশের আন্না। তার কথা শুনবো এখন।
চীনের শায়ানসি প্রদেশের রাজধনিী সিআন শহর। প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী এই শহরের রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস ও সংস্কৃতি। এই শহর শিক্ষার জন্যও বিখ্যাত। প্রতিবছর এখানে অনেক বিদেশি শিক্ষার্থী আসেন উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য।
এই শহরে ২০১৯ সালে রাশিয়া থেকে আসেন আন্না সামোডোলোভা নামে এক তরুণী। তিনি এখানে চীনা ভাষার শিক্ষার্থী হয়ে আসেন। বেশ ভালোভাবেই চীনা ভাষা শেখেন তিনি।
সিআন চিয়াও থোং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মার্স্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন আন্না। ততোদিনে সিআন শহর তথা চীনের প্রেমে পড়ে গিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে চাইনিজ কুইজিন এবং সংস্কৃতির। তিনি চীনের ব্যবসায়িক সম্ভাবনা নিয়েও জানতে পারেন। তার সবচেয়ে ভালো লাগে নারীর জন্য চীনের নিরাপদ পারিবেশ। এখানেই স্থায়ী হওয়ার চিন্তাভবনা করতে থাকেন। তিনি ভাবেন এখানে তিনি নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবেন।