আকাশ ছুঁতে চাই ৯৩
এবারের পর্ব
১. নারী উদ্যোক্তাদের অনুপ্রেরণা সিনচিয়াংয়ের হাবিবা
২. বিনামূল্যে এইচপিভি টিকা পাবে চীনের ৪০ শতাংশ কিশোরী
৩. চীনকে ভালোবাসেন রুশ তরুণী আন্না
নারী ও শিশু বিষয়ক অনুষ্ঠানে আকাশ ছুঁতে চাই অনুষ্ঠান থেকে সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি আমি শান্তা মারিয়া। কেমন আছেন আপনারা? আশাকরি ভালো আছেন।
আমাদের অনুষ্ঠানে আমরা কথা বলি নারী ও শিশুর সাফল্য, সমস্যা, সম্ভাবনা নিয়ে। আমরা কথা বলি মানুষের অধিকার নিয়ে।
আজকের অনুষ্ঠানে রয়েছে উইগুর জাতির এমন একজন নারীর কথা যিনি নিজের ঐতিহ্যকে অনুসরণ করে সাফল্য পেয়েছেন। আরও রয়েছে বিনামূল্যে কিশোরীদের এইচপিভি টিকা প্রদানের কথা। আরও রয়েছে এমন একজন বিদেশি নারীর কথা যিনি চীনকে ভালোবেসে সিআন শহরে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন।
নারী উদ্যোক্তাদের অনুপ্রেরণা সিনচিয়াংয়ের হাবিবা
চীনের উইগুর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল সিনচিয়াং আতিথেয়তার জন্য বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত। এখানকার খাদ্য সামগ্রীর খ্যাতি রয়েছে । আর এই অঞ্চলে পেস্ট্রিশপ দিয়ে সবাইকে স্বাগত জানাতে চান হাবিবা।
এই পেস্ট্রি শপ থেকে সিনচিয়াংয়ের ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ নিতে পারবেন দেশি, বিদেশি বন্ধুরা। অন্যদিকে নিজের আয়েরও উৎস এই পেস্ট্রিশপ। চলুন শোনা যাক সিনচিয়াংয়ের নারী হাবিবার কথা। বিস্তারিত আফরিন মিমের প্রতিবেদনে।
নানা ধরণের মিষ্টি খাবার দিয়ে সাজানো হয়েছে পুরো দোকান। একদিকে নানা রকমের ডিজাইন করা কেক, অন্যদিকে পনির, বিস্কুট,বিশেষ ধরণের ব্রেড ও বান। চীনের উইগুর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের রাজধানী উরুমছিতে ছোট্ট এই পেস্ট্রিশপের মালিক হাবিবা। এই অঞ্চলের হোথান শহরের বাসিন্দা এই নারী।
হাবিবা চীনের চোংনান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি ও আইনে লেখাপড়া করেছেন। এরপর নানা ধরনের কাজের সুযোগ পেয়েছেন। বিভিন্ন জায়গায় চেষ্টাও করেছেন নিজেকে মানিয়ে নিয়ে কাজ করতে। কিন্তু হাবিবাকে টানতো ব্যবসা-বাণিজ্য। একদিন সব কাজের ইতি টেনে ফিরে গেলেন নিজ অঞ্চলে।
ছোট বেলা থেকেই রান্নাবান্নায় পটু ছিলেন হাবিবা। বিশেষ করে কেক পেস্ট্রি বানাতে ওস্তাদ ছিলেন তিনি। আত্মীয়স্বজন বন্ধুবান্ধব তার রান্নার প্রশংসা করতেন।
নিজের কাজের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে শুরু করলেন পেস্ট্রি ব্যবসা। কেননা উইগুর অঞ্চলে বিখ্যাত মিষ্টি জাতীয় নানা খাবারের জন্য। তাইতো নিজ অঞ্চলের ঐতিহ্যকে কাজে লাগিয়ে শুরু করলেন এই ব্যবসা। ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা পেতে থাকলো তার বানানো পেস্ট্রি। স্থানীদের পাশাপাশি এই অঞ্চলে আগত পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে থাকলো তার বানানো খাবার। খুব তাড়াতাড়ি মার্কেটে নিজের জায়গা করে নিলেন হাবিবা।