আকাশ ছুঁতে চাই ৩৯
এরপর থেকে কাও তার বন্ধু হয়ে যান।
ফুড ডেলিভারির এই পেশা থেকে নিজের ভালোবাসার মানুষটিকেও খুঁজে পেয়েছেন লিয়াও। একটি ছোট রেস্টুরেন্টে লিয়াও প্রায়ই যান। সেখানকার কর্মী তরুণ সাই এসেছেন লিয়াওর হোমটাউন থেকে।
সাই বলেন ‘আমি অনুভব করি যে, এই তরুণী কঠোর পরিশ্রমী, দায়িত্বশীল, হাসিখুশি। ও হাসতে ভালোবাসে। এমন নারী অবশ্যই আকর্ষণীয়।’
কোভিড মহামারীর মধ্যেও কাজ করেছেন লিয়াও। খাবার পৌছে দিয়েছেন।
লিয়াও বলেন, ‘একবার এক মা ও ছোট ছেলের জন্য ফুড ডেলিভারি করি। নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দেরি হয়ে গিয়েছিল। আমি খুব বিব্রত বোধ করছিলাম। কিন্তু আমাকে অবকা করে নিয়ে সেই মা তার ছেলেকে বললেন এই আন্টিকে ধন্যবাদ দাও। উনি খাবার পৌছে না দিলে আমাদের না খেয়ে থাকতো হতো।’
এই ধরনের প্রশংসা তাকে অনুপ্রেরণা দেয়। একবার বৃষ্টির মধ্যে পিছলে পড়ে গিয়েছিলেন বাইক নিয়ে। পথচারীরা তাকে সাহায্য করেছে।
লিয়াও এবং সাইয়ের মধ্যে ভালোবাসাও নিবিড়। সাই তাকে উৎসবে তাকে বিশেষ ধরনের নি-গার্ড উপহার দিয়েছেন। কারণ তীব্র শীতের ভিতর বাইক চালাতে হয় লিয়াওকে। এই নি-গার্ড তাকে ঠান্ডা থেকে বাঁচাবে।
শুধু নি-গার্ডই নয় সাই এবং লিয়াওর প্রেম তাদের সম্পর্ককে উষ্ণ করে তোলে। লিয়াও কঠোর পরিশ্রম করে এগিয়ে যান সুন্দর ভবিষ্যতের দিকে।