আকাশ ছুঁতে চাই ৩৯
১. পরিশ্রমী নারী লিয়াও চেমেং
২. মায়ের ভূমিকায় কোমল পিস্তসোভা
৩. বিউফিট: নারীদের ফিটনেস নিশ্চিত করছে
নারী ও শিশু বিষয়ক অনুষ্ঠান আকাশ ছুঁতে চাই থেকে সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি আমি শান্তা মারিয়া। আমাদের অনুষ্ঠানে আমরা কথা বলি নারী ও শিশুর অগ্রযাত্রা, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ, সাফল্য, সংকট সম্ভাবনা নিয়ে। আমরা কথা বলি সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানুষের অধিকার নিয়ে।
পরিশ্রমী লিয়াও চেমেং
পরিশ্রমী নারী লিয়াও চেমেং । ফুড ডেলিভারি কাজের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করছেন তিনি। ছোংছিং মহানগরীর এই পরিশ্রমী নারী রাত বিরেতে বিরূপ আবহাওয়াতেও ছুটে যান অর্ডার অনুযায়ী খাবার পৌছে দিতে। তার জীবনে আছে প্রেম, আছে আনন্দ। চলুন তার জীবনের গল্প শুনি ।
ব্যস্ত শহর ছোংছিং। রেস্টুরেন্টে গিয়ে খাবার খাওয়ার সময় নেই অনেকের। তাদের জন্য ঠিক সময়ে খাবার পৌছে দিচ্ছেন লিয়াও চেমেং। এই তরুণী ফুড ডেলিভারির কাজ করেন।
দিন বা রাত যেকোন সময় মানুষের দোরগোড়ায় তিনি পৌছে দেন তাদের অর্ডার করা খাবার। বসন্ত উৎসবের ছুটি কিংবা মধ্য শরৎ উৎসব, শীত অথবা ঝড় বৃষ্টি, ঠিকই পৌছে যান লিয়াও। শহরের এমন অনেক স্থান রয়েছে যেখানে মোটর বাইক যেতে পারে না। তেমনি পাথুরে উঁচু সিঁড়ি ভেঙেও হাসিমুখে কাজ করে যান লিয়াও।
লিয়াও চেমেং বলেন, ‘এমন অনেক জায়গা আছে যেখানে বাইক চলে না। আমরা সেখানে ফুড ডেলিভারি দিতে পৌছে যাই।’
সাড়ে তিন বছর আগে ছোংছিংয়ের হ্যছুয়ান জেলায় তার হোমটাউন থেকে মহানগরীতে আসেন লিয়াও। তিনি দেখেন একজন ফুড ডেলিভারি ড্রাইভার পরিশ্রম করলে বেশ ভালো অর্থ রোজগার করতে পারে। লিয়াও প্রতিটি অর্ডারে ৫ ইউয়ানের মতো রোজগার করেন। প্রতিদিন গড়ে ৬০ কিলোমিটার বাইক চালানো আর ২০ হাজার ধাপ সিঁড়ি ভাঙতে হয় তাকে।
লিয়াও কঠোর পরিশ্রম করেন হাসিমুখে। তাকে পছন্দ করেন সহকর্মী ও পরিচিতজনরা। এমনি একজন নারী কাও। তিনি একজন বিক্রেতা। কাও বলেন, ‘আমি একবার আমার ফ্রাইয়ার বাসকেট ফেলে এসেছিলাম। তাকে একটু উপকার করতে বলি। সে খুশি হয়ে আমাকে সাহায্য করে। বাইক চালিয়ে আমাকে বাসায় নিয়ে যায় আবার পৌছে দেয়।’