আকাশ ছুঁতে চাই ৩১
১. স্থানীয় ট্রেড ইউনিয়নের উদ্যোগে গড়ে উঠলো শিশু যত্ন কেন্দ্র
২. বাংলাদেশের বঙ্গমাতা পদক পেলেন ৪ নারী ও জাতীয় নারী ফুটবল দল
৩. অর্কিড চাষ করে স্বাবলম্বী হলেন উদ্যোগী নারী
নারী ও শিশু বিষয়ক অনুষ্ঠান আকাশ ছুঁতে চাই থেকে সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি আমি শান্তা মারিয়া। আমাদের অনুষ্ঠানে আমরা কথা বলি নারী ও শিশুর অগ্রযাত্রা, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ, সাফল্য, সংকট সম্ভাবনা নিয়ে। আমরা কথা বলি সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানুষের অধিকার নিয়ে।
স্থানীয় ট্রেড ইউনিয়নের উদ্যোগে গড়ে উঠলো শিশু যত্ন কেন্দ্র
কর্মজীবী মায়েদের একটি বড় সমস্যা হলো ছোট শিশুকে নিরাপদে রাখার জন্য একটি সুবিধাজনক স্থান নির্ধারণ করা।এই সমস্যা সমাধানে চেচিয়াং প্রদেশের একটি শহরের নাইট মার্কেটে স্থানীয় ট্রেড ইউনিয়ন স্থাপন করেছে শিশু যত্ন কেন্দ্র।
চেচিয়াং প্রদেশের একটি নাইট মার্কেট তোংইয়াং। এখানে সন্ধ্যার পর জমে ওঠে কেনাবেচা । এখানকার অধিকাংশ দোকানদারই নারী। তাদের দুঃশ্চিন্তা শিশুসন্তানকে কোথায় রাখবেন। এদের অনেকেই মাইগ্রেন্ট ওয়ার্কার। তারা অন্য স্থান থেকে এই শহরে এসেছেন। ফলে শিশুকে রাখার মতো কোন আত্মীয়ও তাদের এ শহরে নেই। দিনের বেলা শিশুরা স্কুলে থাকে। কিন্তু রাতে থাকবে কোথায়?
এই সমস্যা সমাধানে এগিয়ে এসেছে স্থানীয় ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন। তারা এই মার্কেটের এক দিকে চেনসিং রোডে একটি শিশু যত্ন কেন্দ্র স্থাপন করে মায়েদের দুঃশ্চিন্তা লাঘব করেছে।
এই বিষয়ে উদ্যোগ নিয়েছেন মাও ফেংহুয়া। তিনি ট্রেড ইউনিয়নের নেত্রী। তিনি একদিন দেখেন এই নাইট মার্কেটের বিভিন্ন স্টলে মায়ের পাশে ছোট শিশুরা বসে লেখাপড়া করছে। বাজারের এই হট্টগোলের মধ্যে লেখাপড়া করা যেমন কঠিন তেমনি শিশুর দিকে খেয়াল রাখতে গিয়ে ব্যবসা চালানোও কঠিন।
মাও তখন সমস্যার প্রকৃত রূপ বোঝার জন্য বিক্রেতাদের সঙ্গে আলাপ করেন। এই স্ট্রিট মার্কেটে ৪৩৫টি দোকান আছে।
এখানে একটি দোকান চালান সিয়া ছিয়ংফাং নামে একজন নারী। তার স্বামীও তার সঙ্গেই ব্যবসা পরিচালনা করেন। তাদের মিশু সন্তানও দোকানে বসে থাকতো। একদিন ছেলেটিকে খুঁজে পাওয়া যায় না। স্বামী স্ত্রী পাগলের মতো ছেলেকে খোঁজেন। সৌভাগ্যক্রমে ছেলেটিকে পাওয়া যায়। দোকানের ভিতর একঘেয়ে লাগায় সে বাবা মায়ের চোখ এড়িয়ে বাড়ির দিকে রওনা দিয়েছিল।
এমন সমস্যা ছিল অনেকেরই। এখন এই শিশুযত্ন কেন্দ্র চালু হও্রয়ায় সকলেরই সুবিধা হয়েছে। এখানে ৪ থেকে ১২ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের রাখা হয়। তাদের হোমওয়ার্ক করানো হয়। নানা রকম কবিতা, গান, ছবি আঁকাও শেখে তারা। ৭০টি শিশু রয়েছে এখানে।