আকাশ ছুঁতে চাই ২৪
১. ঈদ মোবারক
২. ফুচিয়ানে পঞ্চদশ প্রণালী নারী ফোরাম
৩. জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তারা মমতাময়ী বন্ধু
নারী ও শিশু বিষয়ক অনুষ্ঠান আকাশ ছুঁতে চাই থেকে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি আমি শান্তা মারিয়া। আমাদের অনুষ্ঠানে আমরা কথা বলি নারী ও শিশুর অগ্রযাত্রা, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ, সাফল্য, সংকট সম্ভাবনা নিয়ে। আমরা কথা বলি সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানুষের অধিকার নিয়ে।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো চীনের মুসলিম নারীরাও এখন ঈদুল আজহার উদযাপনে ব্যস্ত। চীনের মুসলিম নারীরা কিভাবে ঈদ উদযাপন করেন চলুন জেনে নেই একটি প্রতিবেদনে।
ঈদ মোবারক
চীনা ভাষায় ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানাতে হলে বলতে হয় কু আর পাং চিয়ে। চীনের মুসলিমরা এখন পরষ্পরকে এই শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। চীনের দশটি জাতির মানুষ ইসলাম ধর্ম পালন করেন। চীনের মুসলিমরা ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আজহা উদযাপন করেন বিশ্ব মুসলিম উম্মার সঙ্গে একই সময় এবং একই রীতিতে। তবে সেইসঙ্গে নিজস্ব সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যও রয়েছে। চীনে যেখানে মুসলিম বসতি রয়েছে সেখানেই একই নিয়ম। ঈদের নামাজে পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও অংশ নেন। তবে তারা পৃথক সারিতে নামাজ পড়েন।
কোরবানি ঈদে উইগুর নারীরা তৈরি করেন বিশেষ কিছু খাবার। পিলাফ এবং হাতে ধরা মাংস হলো ঈদের বিশেষ খাবার। পিলাফ হলো চাল, ভেড়ার মাংসের টুকরো ও কিসমিস দিয়ে রান্না করা এক ধরনের পোলাও।
হাতে ধরা মাংস হলো ভেড়ার মাংসের একটি বিশেষ ডিশ। একটি ভেড়াকে বারো টুকরো করে নানা রকম মসলা দিয়ে সিদ্ধ করা হয়। মাংসের টুকরোগুলো এতবড় যে চপস্টিকে ধরা যায় না। হাতে ধরে খেতে হয়।
ঈদের দিন সিনচিয়াং সিল্কের তৈরি পোশাক পরেন উইগুর নারীরা। তাজিক, হুই কিরগিজসহ বিভিন্ন জাতির মুসলিম নারীরাও তাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরেন। ঈদের দিনে কাশগরসহ বিভিন্ন শহরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকে ঈদের নামাজের পর। সেসব অনুষ্ঠানে নারীরা অংশ নেন স্বতঃস্ফূর্তভাবে।
শিশুরাও ঈদ উৎসবে মেতে ওঠে নতুন জামা পরে।