আকাশ ছুঁতে চাই ২০
১. চীন বাংলাদেশ একে অপরের সহযোগী : হংমেই লি
২. অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে নারীর শক্তি
৩. বয়স কোনো বাধা নয়
নারী ও শিশু বিষয়ক অনুষ্ঠান আকাশ ছুঁতে চাই থেকে সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি আমি শান্তা মারিয়া। আমাদের অনুষ্ঠানে আমরা কথা বলি নারী ও শিশুর অগ্রযাত্রা, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ, সাফল্য, সংকট সম্ভাবনা নিয়ে। আমরা কথা বলি সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানুষের অধিকার নিয়ে।
চীন বাংলাদেশ একে অপরের সহযোগী : হংমেই লি
চীন ও বাংলাদেশের যোগাযোগ বৃদ্ধি হওয়া প্রয়োজন। দুই দেশের নারীরা দুই দেশের উন্নয়নে কাজ করছেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে চায়না মিডিয়া গ্রুপের সঙ্গে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এমন কথা বলেছেন সাংহাই ইনস্টিটিউটস ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের গবেষক হংমেই। তিনি চীন ও বাংলাদেশের নারীদের আত্মবিশ্বাসী বলেও মনে করেন। দুই দেশের নারীদের চেষ্টার মধ্যে একটা মিল আছে বলে মনে করেন হংমেই লি।
চীন তার অর্থনীতিকে আধুনিকীকরণে কাজ করছে আর বাংলাদেশ তার অর্থনীতিকে উন্নতকরণে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন সাংহাই ইনস্টিটিউটস ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের গবেষক হংমেই লি। সম্প্রতি চায়না মিডিয়া গ্রুপের বাংলা বিভাগকে দেয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি আরো বলেন, দু'দেশই উভয়দিক থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগী হয়ে কাজ করছে। এ তরুণী গবেষক আরো বলেন, ‘ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের উন্নয়নে চীন সহযোগী হতে ইচ্ছুক। দু'দেশ একসাথে কাজও করছে। বাংলাদেশে আসলে নানা ধরনের সমস্যা আছে। তবে প্রতিবন্ধকতা দূরে ঠেলে এ দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। চীনসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক কমিনিউটি তাদের সহায়তা করছে। ’
হংমেই লি বলেন, মানুষে মানুষে সম্পর্ক তৈরি করাটা অনেক জরুরি। অনেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী চীনে পড়াশোনা করছেন, কাজ করছেন। আবার চীনা শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরাও বাংলাদেশে আসছেন এবং কাজ করছেন। তবে এটি আরো বাড়ানো উচিত বলে মনে করেন তিনি।
চীন ও বাংলাদেশের নারীদের প্রসঙ্গে হংমেই লি বলেন, চীনা নারীরা তাদের উচ্চমানের শিক্ষাকে প্রসারে কাজ করছেন। তিনি বলেন, ‘বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয় ও চারপাশে যাদের দেখেছি তারা অনেকেই বাইরে কাজ করেন, স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করেন এবং তারা খুব আত্মবিশ্বাসী। আবার বাংলাদেশের নারীদের দেখেও আমার মনে হয়েছে যে, তারা খুব আত্মবিশ্বাসী, তারা নিজেদের অবস্থার পরিবর্তনের জন্য প্রচুর চেষ্টা করছেন। ’