আকাশ ছুঁতে চাই ১৩
তেং ইউছিং, সমুদ্র বিজ্ঞানী, ইন্সটিটিউট অব ডিপ-সি সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং। তিনি বলেন,
“প্রথমবারের মতো ফেনতৌছে সাবমার্সিবলে করে বিদেশি বিশেষজ্ঞসহ সমুদ্রের গভীরে এসেছি। যদিও অপারেশন এলাকায় ব্যাপক বাতাস, প্রচণ্ড স্রোত ও ঢেউ আছে। এই পরিস্থিতি অনেক ক্ষেত্রেই খুব কঠিন ও বিপজ্জনক। এমন অবস্থায় গভীর সমুদ্র থেকে ফিরে যাওয়াও অনেক ক্ষেত্রে অসম্ভব হয়ে পড়ে। তবে আশার কথা ফেনতৌছে সাবমার্সিবল এর আগেও বিভিন্ন সময় ডাইভে অংশ নিয়েছে।“
চীনের নারী বিজ্ঞানীর সঙ্গে যোগ দেন নিউজিল্যান্ডের একজন নারী বিজ্ঞানীও। নিউজিল্যান্ডের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ওয়াটার অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফেরিক রিসার্চের সদস্য কারিন শ্নাবেল। তিনি প্রথমবারের মতো যোগ দেন এই অভিযাত্রায়। অভিযানে অংশ নেয় অকল্যান্ড মিউজিয়ামও।
চায়নিজ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস বলছে, এই অভিযানের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে সাগরের তলদেশে জমে থাকা পলি, পাথর ও জীবন সম্পর্কে একটা ধারনা পাওয়া গেছে। কারমাডেক ট্রেন্সে ভূমিকম্পের আলামতও পেয়েছছেন বিজ্ঞানীরা। পাশাপাশি তলদেশের গহীনে বসবাস করা প্রাণিদের জৈবিক বিষয়বস্তুর প্রবাহ সম্পর্কেও সম্মক ধারনা পাওয়া গেছে। তারা বলছেন, সাগরের সাড়ে ৫ হাজার মিটার গভীরেও তিমির দেখা পাওয়া চীনা অভিযাত্রীদের গবেষণায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপের অগ্রগতি বলেও মনে করা হচ্ছে।
প্রতিবেদন ও কণ্ঠ: সাজিদ রাজু
সকলের জন্য মায়ের মমতা
একজন নারী যখন মাতৃত্ব অর্জন করেন তখন তার সামনে খুলে যায় এক বিস্ময়কর জগত। আবার অনেক নারী তার মাতৃত্বের স্নেহ ও শক্তি দিয়ে অন্য অনেক শিশুর জীবনে পরিবর্তন নিয়ে আসেন।
দক্ষিণ চীনের ফুচিয়ান প্রদেশের ফুচৌ শহরের এক সাধারণ মা লান লিনসিয়াং। সাধারণ নারীর মতোই ছিলেন তিনি। ২০১৩ সালে লানের এক বছর বয়সী ছেলের ডেভেলপমেন্ট ডিসঅর্ডার বা অটিজম ধরা পড়ে। প্রথমে ভেঙে পড়েছিলেন লান। তার ছেলে অন্য দশটি শিশুর মতো নয় একথা মানতে কষ্ট হয়েছে তার। তার ছেলে কথা বলতে পারতো না। বইও পড়তে পারে না। লান তাকে নিয়ে যান বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের রিহ্যাব সেন্টারে। সেখানে তিনি দেখতে পান তার ছেলের মতোই আরও অনেক শিশু রয়েছে।
তিনি চিন্তা করেন যদি নিজেদের এলাকায় এমন একটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা যায় তাহলে আরও অনেক শিশু ও তাদের অভিভাবকদের উপকার করা যাবে।