আকাশ ছুঁতে চাই ৮
বর্তমানে ডাক্তার ইয়াং দেশটির শীর্ষ আইনসভার ১৪তম জাতীয় গণ কংগ্রেসের ডেপুটি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে ২০০৪ সালে ইউনান প্রদেশের হংহে হানি এবং ই স্বায়ত্তশাসিত প্রিফেকচারের হেনান গ্রামে একমাত্র ডাক্তার হোন তিনি।
গ্রামের মানুষের স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নতির পাশাপাশি হাসপাতাল নির্মাণের উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি মনে করেন তাদের নিজেদের প্রয়োজনের কথা তাদের মুখে শোনাই সবচেয়ে ভালো।
ইয়াং বলেন "গ্রামবাসীদের স্বাস্থ্য রক্ষা করার পাশাপাশি, তাদের কণ্ঠস্বর শোনানো আমার দায়িত্ব,"
এই হেনান গ্রামের জনসংখ্যা প্রায় দুই হাজার। যেহেতু পুরো গ্রামজুড়ে সবাই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে তাই প্রতিটি পরিবারের কথা শুনতে প্রতিটি ঘরে ঘরে যাচ্ছেন তিনি।
ইয়াং বলেন, বলেন, প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের বেশিরভাগ ডাক্তাররা ভারী কাজের চাপ, কম বেতন এবং বার্ধক্যজনিত সমস্যার মতো চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন। তরুণরা গ্রামে কাজ করতে চায় না, এবং অনেক গ্রামীণ ডাক্তার অবসরের বয়সে পৌঁছেছেন,তাই এসব গ্রামে ডাক্তার নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন”।
যেহেতু ডাক্তাররা গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে তাই তরুণ চিকিত্সকদের গ্রামে সেবা দিতে উৎসাহিত করতে নীতিগত সহায়তার আহ্বান জানান ইয়াং।
সম্প্রতি চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি এবং রাজ্য পরিষদের সাধারণ কার্যালয় থেকে প্রকাশিত একটি নথিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের মধ্যে গ্রামীণ চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার সংস্কার ও উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করা হবে।
এনপিসি স্ট্যান্ডিং কমিটি থেকে জানা যায়, ইয়াং-এর মতো তৃণমূল সেক্টর থেকে ২ হাজার ৯৭৭ জনকে ১৪তম এনপিসি-তে ডেপুটি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণ মানুষের কথা নীতি নির্ধারক পর্যায়ে যাতে পৌছায় তাই তাদেরকে নিয়োগ দিয়েছেন স্ট্যান্ডিও কমিটি।
নতুন প্রজন্মের সিনচিয়াং
চীনের উইগুর স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল সিনচিয়াংয়ে নতুন প্রজন্মের শিশুরা কিন্ডার গার্টেনে যাচ্ছে। তারা আনন্দময় জীবন কাটাচ্ছে। সিনচিয়াংয়ের নারীরাই চাকরি নিচ্ছেন কিন্ডার গার্টেনের শিক্ষিকা হিসেবে। শিশুদের নিয়ে তারা গড়ে তুলছেন আনন্দময় এক বর্ণিল ভুবন। চলুন ঘুরে আসি এমন এক বর্ণিল ভুবন থেকে ।
চীনের উইগুর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল সিনচিয়াংয়ের ছাংচি প্রিফেকচারের জিমুসার কাউন্টি। এখানকার স্থানীয় বাসিন্দা নারী হেইরিগুল। তিনি আট বছর ধরে কিন্ডার গার্টেনের শিক্ষিকা হিসেবে কাজ করছেন। শিশুদের এই জগত তার খুব পছন্দের। শিশুদের নিয়ে তিনি নানা রকম খেলার আয়োজন করেন। ওরা ব্লক দিয়ে বাড়ি বানানো, ছবি আাঁকা, নাচ গান ইত্যাদির মাধ্যমে বন্ধুত্ব করতে শেখে, সবশিশু একসঙ্গে মিলে চলতে শেখে।